| ২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |৩রা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি October 14, 2026, 3:38 pm
Title :
বেনাপোল বন্দরে একসেস প্রকল্পের ইআইএ প্রস্তুতিতে গণশুনানি ও জনমত যাচাই সভা অনুষ্ঠিত আইন মানার মানসিকতা গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ, বনানী বিদ্যানিকেতনে বিআরটিএর উদ্যোগ কক্সবাজার পাহাড়তলীতে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার দিনাজপুর বীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন রাজশাহীতে তরুণীর ভিডিও ফাঁসের ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি, আটক কথিত সাংবাদিক কাচু সুপ্ত প্রতিভা ও ঐতিহ্য বিকাশের অঙ্গীকারে ব্লুমিং সান স্কুলে শরৎ উৎসব নরসিংদীর শিবপুরে ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর লাইসেন্স না থাকায় ৫০হাজার টাকা অর্থদন্ড দূর্গাপূজায় টানা ৮দিন বন্ধ থাকবে বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি দিনাজপুর বীরগঞ্জ সরকারি কলেজের মেইন গেটের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু_এমপি. দিনাজপুর বীরগঞ্জে প্রভাব বিস্তার করে অসহায় ভ্যান চালকের বসতবাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়ে উচ্ছেদ করে সেখানে পুকুর খনন

গ্রামপুলিশ সদস্যদের সতর্ক করল চাঁদামুক্ত সংগঠন, ১৯–২০তম গ্রেড বাস্তবায়নে ঐক্যের আহ্বান

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
  • 195 Time View
১৪৭

মোঃ আতাউল্লাহ আরীফী

গ্রামপুলিশ সদস্যদের অধিকার আদায়ের নামে অগ্রিম অর্থ আদায় ও প্রতারণার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছে “বাংলাদেশ গ্রাম পুলিশ বাহিনী ৬৪ জেলা ইউনিট”। সংগঠনটি জানিয়েছে, বিভিন্ন কমিটির নামে একটি স্বার্থান্বেষী মহল দীর্ঘদিন ধরে গ্রামপুলিশ সদস্যদের বিভ্রান্ত করে আগাম টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, যার বেশিরভাগই প্রকৃত কাজে ব্যয় হচ্ছে না।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে—সংগ্রহ করা অর্থের মাত্র ১০ শতাংশ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হলেও বাকি ৯০ শতাংশ চলে যাচ্ছে ব্যক্তিগত স্বার্থে। এ কারণে গ্রামপুলিশ সদস্যদের যেকোনো ধরনের আগাম আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের মাধ্যমে ১৯ ও ২০তম গ্রেড বাস্তবায়নই মূল লক্ষ্য

সংগঠনটি জানায়, তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো সুপ্রিম কোর্টে চলমান মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির মাধ্যমে গ্রামপুলিশ বাহিনীর সদস্যদের সরকারি ১৯তম ও ২০তম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা। এ দাবিকে গ্রামপুলিশ সদস্যদের ন্যায্য অধিকার উল্লেখ করে সংগঠনটি জানায়, আইনগত রায় ছাড়া কোনো ধরনের আর্থিক অবদান গ্রহণ করা হবে না।

রায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো অর্থ নয়

সংগঠনের ঘোষিত নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—

মামলার চূড়ান্ত রায় ও গ্রেড নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো কমিটিকে টাকা দেওয়া যাবে না।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর সদস্যরা স্বেচ্ছায় চাইলে অনুদান দিতে পারবেন।

নীতিবাক্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে: “এক হাতে রায়ের কপি, অন্য হাতে স্বেচ্ছায় অবদান—এর আগে নয় কোনো লেনদেন।”

চাঁদামুক্ত সংগঠনের দাবি

“বাংলাদেশ গ্রাম পুলিশ বাহিনী ৬৪ জেলা ইউনিট” নিজেকে একটি সম্পূর্ণ চাঁদামুক্ত ও স্বচ্ছ সংগঠন হিসেবে দাবি করে জানায়, ঐক্যবদ্ধভাবে সততার সঙ্গে আন্দোলন চালালে গ্রামপুলিশ সদস্যদের অধিকার আদায় সম্ভব হবে।

সদস্য অন্তর্ভুক্তির আহ্বান

অধিকার আদায়ের এই আন্দোলনে যুক্ত হতে আগ্রহী গ্রামপুলিশ সদস্যদের ফেসবুক পোস্টের কমেন্টে নাম, জেলার নাম ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলে জানানো হয়।
এ বিষয়ে আরও তথ্যের জন্য এস এম জিয়াউল হক, রতন কুমার ও রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একাধিক মোবাইল নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে।
📲01916371300
📲01917123408
📲01738451514

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category