স্টাফ রিপোর্টার : ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে চলতি বোরো ধান - চাউল সংগ্রহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে উঠেছে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গুদাম ইনচার্য ফেরদৌস এর বিরুদ্বে। জানা যায় টন প্রতি বোরো চাউল সংগ্রহে দুই হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে নিম্ন মানের ভাঙ্গা মিশ্রণ ৬০০ টন চাউল সংগ্রহ করেছে। নাম মাত্র কৃষকদের কাছ থেকে বোরো ধান সংগ্রহ করে সিন্টিকেট এর কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করছে।
উপজেলার চন্ডীপাশা ও বেতাগৈর ইউনিয়নের কৃষক আহাম্মদ, নজরুল ইসলাম, মনু মুন্সীর সাথে কথা বলে জানা যায় গুদামে ধান নিয়ে গেলে গুদাম ইনচার্য নানা দোষ ধরে ধান নিতে গড়িমসি করে। ধান ভরা গাড়ি গুদাম চত্বরে দুই দিন থাকলে ভাড়া বেড়ে যায়। আবার অনেকের ধান গুদামে নিয়ে গেলে ঐ দিনই ধান নিয়ে নেয়।
একটি সুত্রে জানা যায় নিম্ন মানের চাউল বাজার গুদামে কৌশলে খামালে মজুদ করে। আর জানা যায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসিএলএসডি) খাদ্য বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদর নামে ঘুষ বাণিজ্য করছে। তিনি নাকি বিশ লক্ষ টাকা দিয়ে পোস্টিং নিয়েছে। গুদামে ভালো মানের চাউল আসলে কৌশলে তা বাহিরে বেশি দামে বিক্রি করে গুদামে কম মুল্যের নিম্ন মানের চাউল মজুদ করে। এছাড়াও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসিএলএসডি)র বিরুদ্বে রয়েছে আরও অনিয়ম ও দুর্নীতি। এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসিএলএসডি) র বক্তব্য জানতে একাধিকার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।
অপরদিকে জেলার হালুয়াঘাট, ভালুকা, ধানিখোলা খাদ্য গুদামে বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা য়ায় হালুয়াঘাট খাদ্য গুদামে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসিএলএসডি) পদে পোস্টিং পেতে পাঁচজন খাদ্য পরিদর্শক প্রার্থী ছিলেন। চারজন কে পেছনে ফেলে সালমা আক্তার নামে খাদ্য পরিদর্শক মোটা অংকের টাকা খরচ করে পোস্টিং বাগিয়ে নেয়। সালমা আক্তার আগে নেত্রকোনার মদন খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন কালে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে নেয়। ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক সিনিয়র দক্ষ খাদ্য পরিদর্শক থাকার পরও গুদামে পোস্টিং পায়নি।
খাদ্য মন্তণালয়ের ধান - চাউল সংগ্রহ কালীন সময়ে অফিস ত্যাগ করা যাবে না পরিপত্র জারী করেছে তা বহাল রয়েছে। পরি পত্রের নির্দেশ উপেক্ষা করে সালমা আক্তার শেরপুর নিজ বাড়ী থেকে এসে অফিস করে বিকাল তিনটার পরে শেরপুরে চলে যায়। ময়মনসিংহ বিভাগে কয়েকজন অর্থলোভী মহিলা খাদ্য পরিদর্শক রয়েছে নিজ বাসা বাড়ী থেকে ৬০ / ৭০ কিলো দুরে খাদ্য গুদামে পোস্টিং নেয় দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যামে টাকা কামানোর জন্য। ময়মনসিংহ বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্বে কঠোর অবস্হানে থাকলেও খাদ্য বিভাগের একটি সিন্টিকেটের বাধার সম্মুখীন হতে হয়।
সিন্টিকেট এর বিরুদ্বে পাওয়া গেছে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য।
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান: জয়নাল আবেদীন(সজীব) সম্পাদক ও প্রকাশক: নূর আলম ছিদ্দিক (রাজু) যোগাযোগ নাম্বার: 01710087044 নিবাহী সম্পাদক: মোহাম্মদ আলী"
সহ সম্পাদক ও প্রকাশক খান মো: মেহেদী
যোগাযোগ নাম্বার: 01890525480
ইপেপার