ভোলা প্রতিনিধিঃ ভোলায় যৌতুকের দায়ে স্ত্রীর উপর নির্যাতন চালিয়েছে পাষন্ড স্বামী। প্রায় ৭ বছর আগে ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চর মনসা গ্রামের জহুরুল ইসলামের মেয়ে ছুফিয়া বেগমের সাথে বিয়ে হয় পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের তোফাজ্জল হাওলাদারের ছেলে মোঃ মনিরের সাথে। বিয়ের পর কিছুদিন উভয়ের দাম্পত্য জীবন ভালো কাটলেও পরবর্তিতে যৌতুকের ভুত চাপে স্বামী মনিরের মাথার উপর। মনির প্রথমে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে সুফিয়ার পরিবারের কাছে। মেয়ের সুখের জন্য সুফিয়ার বাবা মা প্রথমে জামাই মনিরকে একলাখ টাকা যৌতুক প্রদান করে। কিন্তু সে টাকাগুলো পরকীয়া প্রেমের পেছনে খরচ করে ফেলে পরবিত্তুলোভী ও লম্পট মনির। সে ঘরে সুন্দরী স্ত্রী ও ছোট ছোট বাচ্চাদের রেখে রিনা নামের এক মেয়ের সাথে গভীর প্রেমে জড়িয়ে পরে। অন্যদিকে মনির স্ত্রী সুফিয়ার কাছে ফের এক লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে। সুফিয়ার বাবা মা মনিরের দবীকৃত এটাকা পরিশোধ করতে না পারায় তার উপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন। এটাকার জন্য প্রয়ই মনির ও তার পরিবারের অন্যান্য লোকজন সুফিয়ার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালাতো। সম্প্রতি মনির তার প্রেমিকা রিনাকে বিয়ে করার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়। এবং সে আরো সিদ্ধন্ত নেয় সুফিয়াকে তালাক দেয়ার। গত চারদিন আগে মনির সুফিয়ার নামে তার বাবার বাড়ির ঠিকানায় একটি তালাকনামা পাঠায়। যদিও সে তালাকনামাটি গ্রহণ করেনি স্ত্রী সুফিয়া। এমতাবস্থায় স্ত্রী সুফিয়া রাগে ক্ষোভে গত ২৫ জুলাই ২০২৩ ইং তারিখে তালাকের কারণ জানার জন্য স্বামী মনিরের বাড়ি যায়। এ সময় বাক বিতন্ডের এক পর্যায়ে স্বামী মনির, তার বাবা তোফাজ্জল, মা পেয়ারা বেগম, দেবর তরিক, মামা শ্বশুর মামুন ও ননদের জামাই জয় সুফিয়ার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। এতে সুফিয়ার শরীরের বিভিন্ন যায়গা ফুলা জখম হয়। পরে স্থানীরা তাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে আহত সুফিয়া হাসপাতালের ২নং কেবিনে ভর্তি রয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেণ, স্ত্রী সুফিয়া ও তার পরিবার।
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান: জয়নাল আবেদীন(সজীব) সম্পাদক ও প্রকাশক: নূর আলম ছিদ্দিক (রাজু) যোগাযোগ নাম্বার: 01710087044 নিবাহী সম্পাদক: মোহাম্মদ আলী" যোগাযোগ নাম্বার: 01890525480
ইপেপার