মাসুদ রানা,সিনিয়র রিপোর্টারঃ র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধার, চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, খুনী, ছিনতাইকারী, অপহরণ ও প্রতারকদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৩ ও র্যাব-১৪ এর একটি যৌথ বিশেষ আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন কারাদন্ড সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ১। সিরাজুল ইসলাম (৫০) ও তার আপন ছোট ভাই ২। ইসমাইল হোসেন (৩৭), উভয়পিতাঃ মৃতঃ ওয়াহাব @ কইট্র, সাং-মাটিচাপুর, থানাঃ ফুলপুর, জেলাঃ ময়মনসিংহ’কে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানাধীন হবিরবাড়ি সাকিন ও বাশির এলাকা থেকে ০৩ মার্চ ২০২৬ তারিখ ০৪০০ ঘটিকায় র্যাব-১৪ এর সহায়তায় গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৩।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে জানা যায় যে, ধৃত আসামিদ্বয় গত ২১ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখ, রাত ২৪০০ ঘটিকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের আব্দুল হালিম, পিতাঃ খলিলুর রহমান’কে হত্যা করে লাশ মাটির নিচে পুতে রাখে ও ভিকটিমের মোটর সাইকেলটি মানিকের পুকুরে ডুবিয়ে রাখে।
পরবর্তীতে আসামীদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করলে কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় তারা জবানবন্দী প্রদান করে। জবানবন্দী মোতাবেক পুতিয়া রাখা ভিকটিমের কঙ্কাল উত্তোলন করে সিআইডি এবং ফরেনসিক রিপোর্টে লাশটি ভিকটিম আব্দুল হালিমের বলে রিপোর্ট প্রদান করে।
উক্ত ঘটনায় ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানায় গত ২১ অক্টোবর-২০১০ তারিখে একটি মামলা (মামলা নং-১২) রুজু হয়। উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে দন্ড বিধি ধারা ৩০২/২০১/৩৪ মোতাবেক ২০২৫ সালের জুন মাসে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত ময়মনসিংহ কর্তৃক ধৃত ইসমাইল ও সিরাজুলকে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য যে, মামলা রুজু হওয়ার পর থেকে উক্ত আসামিদ্বয় দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে পলাতক অবস্থায় নিজের নাম ও বেশভূষা পরিবর্তন করে জীবন যাপন করে আসছে।ধৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান: জয়নাল আবেদীন(সজীব) সম্পাদক ও প্রকাশক: নূর আলম ছিদ্দিক (রাজু) যোগাযোগ নাম্বার: 01710087044 নিবাহী সম্পাদক: মোহাম্মদ আলী" যোগাযোগ নাম্বার: 01890525480
ইপেপার