নিজস্ব প্রতিনিধি : সরকারের বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহ (২০২৬) বিভিন্ন জেলা ও বিভাগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ধান কেনায় অনিয়মের অভিযোগে ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নেত্রকোনা জেলার বিরিশিরি এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। একই অভিযোগে রংপুর বিভাগে একজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

জানা যায় নেত্রকোনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমান হুমায়ুন এর অলিখিত নির্দেশে অনিয়ম করতে বাধ্য হয় বিরিশিরি এলএসডির বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদি ইসলাম।
জানা যায় নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা, কেন্দুয়া, খালিয়াজুড়ি উপজেলায় ধান ও চাউল সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোটা অংকের কমিশন নিয়ে কোন ব্যবস্হা নিচ্ছেন না।

জানা যায়,
কৃষি বিভাগের প্রত্যয়ন সাপেক্ষে ধান সংগ্রহের নিয়ম থাকলেও শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে কোন কৃষি কর্মকর্তার কৃষক সনাক্তকরণ ছাড়াই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। নেত্রকোণা সিন্ডিকেটের সাহায্যে ধান সংগ্রহ করছে।

নেত্রকোণা কর্তৃক অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ নীতিমালা ২০১৭ লংঘন করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একই ব্যক্তি হতে একাধিকবার ধান সংগ্রহ করে বিল প্রদান করেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, কর্তৃক সঠিকভাবে তদারকি করা হয় নাই।

অপরদিকে কিশোরগঞ্জজামালপুর জেলায় বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহ অভিযানে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ( ডিসিফুড) কামিয়ে নিয়েছেন কোটি,কোটি টাকা।শেরপুর জেলার নকলা,শ্রীবদরী, টাংগাইলের ঘাটাইল,ধনবাড়ি,কালিহাতি কিশোরগঞ্জের, কটিয়া দি,করিমগঞ্জ,হোসেনপুর,বাজিতপুর উপজেলায় ধান ও চাউল সংগ্রহে হয়েছে অনিয়ম ও দুর্নীতি।

এ ব্যাপারে নেত্রকোনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমান হুমায়ুন এর বক্তব্য জানতে একাধিক বার ফোন দিলে রিসিভ করেননি এমনকি হোয়াইস্ অ্যাপে মেসেজ দিয়েও বক্তব্য জানা যায়নি।

খাদ্য বিভাগে বিগত সরকারের সুবিধাভোগী অর্ধশত কর্মকর্তা রয়েছে বহাল তবিয়তে। উচ্চ পর্যায়ের সঠিক তদন্ত হলে বেড়ি য়ে আসবে অনিয়ম ও দুর্নীতি।ইতিমধ্যে নবনিযুক্ত খাদ্যমন্ত্রী দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। একটি সিন্ডিকেট মন্ত্রীকে ভুল বুঝাতে সক্রিয় হয়েছে।
দেশ ও জনস্বার্থে পরবর্তীতে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। ছবি : সংগৃহীত