| ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |১৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি May 2, 2026, 3:16 pm
Title :
কবাই ইউনিয়নের সোনাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে অনিয়ম: ক্ষোভে ফুঁসছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী খুব শীঘ্রই বাজারে আসছে সাংবাদিক খান মেহেদীর সম্পাদনায় দৈনিক জনতার কণ্ঠস্বর ২৪ ঝিনাইদহের শৈলকুপায় মেয়ের বিয়ের পাত্র নিয়ে পালালেন মা! কিস্তি পরিশোধ না করায় দেড় বছরের সন্তান রেখে কারাগারে মা! ইউরোপের ইতালিতে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি মানতে হবে দুমকিতে গনমাধ্যমে সপ্তাহের উদ্বোধনী দিনে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও চক্রান্তমূলক ​বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে মে দিবস উদযাপন ঢাকা বার নির্বাচন : ৬৬ শতাংশ আইনজীবীই দেননি ভোট

কবাই ইউনিয়নের সোনাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে অনিয়ম: ক্ষোভে ফুঁসছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী

সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক খান মেহেদী
  • Update Time : শনিবার, মে ২, ২০২৬
  • 3 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:- কবাই ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ৬৪ নং সোনাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রমে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)-এর নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিয়মিতভাবে নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে, প্রায় সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন এবং দুপুর ২টার মধ্যেই বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। এতে করে শিক্ষার্থীরা পূর্ণাঙ্গ পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং তাদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।
এছাড়াও, নেপ-এর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন ২০ মিনিটের সমাবেশ করার কথা থাকলেও সেটি নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হচ্ছে না। ফলে শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও সামাজিক মূল্যবোধ গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অংশটি উপেক্ষিত হচ্ছে।
আরও জানা যায়, প্রতিটি শ্রেণির পিরিয়ড ৪০ মিনিট হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা কমিয়ে প্রায় ২০ মিনিটে সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে। এতে করে নির্ধারিত পাঠ্যসূচি যথাযথভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না, যা শিক্ষার মানকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

একাধিক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, “আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা খুবই চিন্তিত। শিক্ষকরা যদি দায়িত্বশীল না হন, তাহলে শিক্ষার্থীরা কীভাবে সঠিক শিক্ষা পাবে?” তারা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয় এলাকাবাসীরাও বিষয়টি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, একটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category