| ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি July 26, 2026, 9:18 pm
Title :
দলে দুর্দিনে আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করতে দেশব্যাপী আলোচনায় সুনামগঞ্জের পরিচিত মুখ আবু বক্কর ছিদ্দিক (এভি ভাই) গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজীদ এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন’-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জননেতা আয়মান হোসেন অপুর কঠোর নির্দেশনা যমুনায় আজ রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, জাতীয় ঐক্যের বার্তা নিয়ে তারেক রহমান বাকেরগঞ্জের নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল সালাম মৃধার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ, অডিও রেকর্ড ফাঁস বাগেরহাটে সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন, তদন্ত করে রেকর্ড বাতিলের দাবি দিনদুপুরে বরিশালের এডিএম আদালতে ডাকাতি: আসল রিপোর্ট চুরি করে ভুয়া মাদ্রাসা সাজালো সিন্ডিকেট! বঙ্গবন্ধুর গেরিলা বাহিনী সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটি পরিবর্তন সভাপতি আনোয়ার’সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর কে শুভেচ্ছা’ সিরাজগঞ্জ-৬(শাহজাদপুর)আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি চয়ন ইসলাম কা‘রা‘গা‘র থেকে মুক্তি পেলেন বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের সভাপতি জননেতা আয়মান হোসেন অপু নেতাকর্মীদের সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজীদ এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬
  • 9 Time View

স্টাফ রিপোর্টার : গণপূর্ত ই/এম বিঃভাগ-৫ প্রকৌশলী তামজীদ এর একের পর দুর্নীতি ও অনিয়ম ঘটিয়ে চলছেন গণপুর্ত ডিপার্টমেন্ট জুড়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা।অর্থবছর জুড়ে বরাদ্দ না থাকা সত্ত্বেও মোটা অংকের পার্সেন্টেজের বিনিময়ে অসংখ্য ইস্টিমেট বিক্রি করে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা। এই দুর্নীতিবাজ দুষ্টচক্র গণপূর্ত প্রকৌশলী লুটপাটের কবল থেকে রক্ষা পায়নি গুরুত্বপূর্ণ হাইকোর্ট।

অসংখ্য সাধারণ ঠিকাদারদের কোটি কোটি টাকা বিল আটকে আছে ঠিকারদারদের ফান্ডের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ইস্টিমেট বিক্রি করে কাজ করিয়ে বিল দিচ্ছেন না।সুপ্রীমকোর্ট বিভিন্ন ভবনের কাজ এখনও শেষ না হলেও ই/এম অঙ্গের কাজগুলো নিয়ে অনেক আগেই টেন্ডার দেখিয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিয়ে সদ্য যাওয়া ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের শেষে পুরো বিল পরিশোধ করেছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়। অথচ ভবন নির্মাণ কাজ এখনও (পাঁচতলা ভবনের ৫ম তলার কাজ চলমান) পুরো একতলা বাকি রয়েছে বলে সরেজমিনে দেখা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের ওটিএম টেন্ডার আইডি নং ১০০২৬৪৬ এর মাধ্যমে সুপ্রীমকোর্ট একটি ভবনের নির্মাণাধীন পাঁচতলা ভবনের জন্য সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজসহ ১০০০ কেভিএ সাবস্টেশন স্থাপণ কাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। ২টি করে সিডিউল বিক্রি জমা ও রেসপন্স দেখিয়ে এই টেন্ডারে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয় মেসার্স মামুন এন্ড ব্রাদার্স নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে। এর কাজের চুক্তিমূল্য হচ্ছে ১ কোটি ৯৮ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫শ’ টাকা। কিন্তু এপিপির লিষ্ট অনুয়ায়ী এই কাজে বরাদ্দ ছিলো কোটি ৯৭ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা।

অর্থ্যাৎ ০.৯৮% ঊর্দ্ধদরে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে পাতানো টেন্ডারের কারণে। কিন্তু প্রতিযোগীতামূলক টেন্ডার হলে ১০% লেছ দিলে সরকারের প্রায় ১৯/২০লক্ষ টাকা সাশ্রয় হতো। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ৮সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে এ কাজের কন্ট্রাক্ট সাইনিং করে।

কাজটি শেষ করার সময় ছিলো ১০ জুন ২০২৫ইং তারিখ অপরদেিক দেড়/দুই বছর পূর্বে সাবস্টেশনের মালামাল এনে গুদামজাত করলেও এতোদিন পরে ওই সকল ইলেকট্রিক মালামাল পূর্ণমাত্রায় কর্মক্ষম থাকে কি-না তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট মহল।একই অর্থবছরে ১০৩৭৪১০নং টেন্ডার আইডি’র মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজসহ সুপ্রীমকোর্ট মাজার মসজিদের জন্য ২৫০ কেভিএ জেনারেটর সরবরাহ স্থাপনের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়।

একই প্রক্রিয়ায় ২টি করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ দেখি য়ে কাজটি পাইয়ে দেওয়া হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ইং তারিখে এই কাজের কন্ট্রাক্ট সাইন করা হয়। এর চুক্তি মূল্য হচ্ছে- কোটি ৫লক্ষ ৪৬ হাজার ৬শ’ তিন নয় এক টাকা কাজটি শেষ করার চুড়ান্ত সময় ছিলো জুন ২০২৫ইং এ কাজে প্রতিযো গীতামূলক দরপত্র না হওয়ার কারণে মাত্র ৬.৮৫% লেসে কাজটি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে গেজ বাংলাদেশ নামক একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে।

একইভাবে ১২২০২৫৭নং ওটিএম আইডি’র মাধ্যমে একই মসজিদের নামে ৬৩০ কেজি একটি প্যাসেঞ্জার লিফট সরবারাহ ও স্থাপনের টেন্ডার আহ্বান করে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়। এ কাজে বরাদ্দ ছিলো ৬৩ লক্ষ ৬ হাজার টাকা।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ১১২৯৮৩৩নং টেন্ডার আইডির মাধ্যমে ২ সেট স্কেলেটর সরবরাহ স্থাপণসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজের টেন্ডাডার করে পছন্দের ঠিকাদারকে একই প্রক্রিয়ায় কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এই কাজে বরাদ্দ ছিলো প্রায় ২ কোটি টাকা।

১১৯০০১৪ টেন্ডার আইডির মাধ্যমে সুপ্রীমকোর্ট আরো একটি ৬৩০ কেজি প্যাসেঞ্জার লিফট সরবরাহ স্থাপণসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজের নামে টেন্ডার আহ্বান করে একই প্রক্রিয়ায় পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেয় দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী তামজীদ চক্র। এই কাজে বরাদ্দ ছিলো ৮৩ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা। এই কাজগুলোর টেন্ডার প্রত্রিয়া নিয়ে সাধারণ ঠিকাদারদের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও নির্বাহী প্রকৌশলী তামজীদ ও একই দপ্তরের বেশ কয়েকজন উপ সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্বে রয়েছে গুরুতর অভিযোগ। এ ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলী তামজীদ হোসেন এর বক্তব্য জানতে ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category