| ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |১৫ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি June 1, 2026, 8:20 am
Title :
শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজালাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর. স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইখলাস বাকেরগঞ্জ এর ঈদ পরবর্তী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুভ উদ্বোধন করেছেন এমপি ওয়াহাব আকন্দ “বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে’ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা লীগ -এর নাম করণ প্রসঙ্গ” ত্যাগ ও কুরবানির মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুসলিম পরিবার, ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছায় দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া শিল্পী সমিতির সদস্য হলেন সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুবিনা আলমগীর নিয়ামতি ইউনিয়নের সোহেল ফরাজীর জনগণের ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপন সাংবাদিক সাইফুল ওয়াদুদের ওপর হামলা: থানায় এজাহার, প্রতিবাদ ইউনাইটেড প্রেসক্লাবের আলোচনার শীর্ষে সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা আবরার এশাল ‘সাংবাদিকদের অধিকার কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিতে হবে’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে গোলাম মাওলা শাহীন

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, এপ্রিল ১০, ২০২৬
  • 78 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক,মোঃ কাওছার মল্লিক ঢাকাঃ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের রাজনীতিতে এখন নতুন হাওয়া বইছে। রাজপথের লড়াই-সংগ্রাম আর ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর একজন নেতাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে অভূতপূর্ব ঐক্য। তিনি আর কেউ নন—ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং রাজপথের অকুতোভয় সৈনিক গোলাম মাওলা শাহীন। নেতাকর্মীদের মুখে মুখে এখন একটাই নাম, আর তাদের দাবি একটাই—আগামী কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শাহীনকেই প্রয়োজন।

ত্যাগের ইতিহাসে অনন্যঃ জানাজা থেকে কারাগার গোলাম মাওলা শাহীনের রাজনৈতিক জীবনের ডায়েরি উল্টালে চোখে পড়ে অসংখ্য ত্যাগের গল্প। এর মধ্যে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ও আলোচিত ঘটনাটি হলো এক নেতার বাবার জানাজা থেকে তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি। শোকাতুর জানাজা শেষে ফেরার পথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে তুলে নিয়ে যায়। সেই দফায় দীর্ঘ এক বছর তাকে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি থাকতে হয়।
এরকম অসংখ্যবার তিনি কারাবরণ করেছেন এবং শত শত রাজনৈতিক মামলার আসামি হয়েছেন। কিন্তু দমে যাননি। প্রতিবারই কারাগার থেকে বীরের বেশে ফিরে এসে দাঁড়িয়েছেন রাজপথে।

স্বৈরাচারের আতঙ্ক ও রাজপথের দর্শন
বিগত স্বৈরাচারী শাসনের দীর্ঘ সময়ে রাজধানীর রাজপথে গোলাম মাওলা শাহীন ছিলেন এক আতঙ্কের নাম। তিনি সবসময় একটি দর্শনে বিশ্বাস করেন, যা আজ নেতাকর্মীদের কাছে মন্ত্রের মতো:
“যত কঠিন পরিস্থিতিই হোক, রাজপথই হবে সমাধান।”
এই আপোষহীন মনোভাবই তাকে সাধারণ কর্মীদের মাঝে ‘আস্থার শেষ ঠিকানা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তৃণমূলের কর্মীরা মনে করেন, যখনই সংকটকাল আসে, শাহীন ভাইকেই সবার আগে সামনে পাওয়া যায়।

তৃণমূলের সাথে নিবিড় টান: ভালোবাসার অন্য নাম
গোলাম মাওলা শাহীনকে কেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা এত ভালোবাসেন? এর উত্তর লুকিয়ে আছে তার কর্মীদের প্রতি গভীর মমত্ববোধে। পদ-পদবীর অহংকার ভুলে তিনি কর্মীদের সাথে মিশে যান।

বিপদের পরম বন্ধু: যে পর্যায়ের কর্মীই হোক না কেন, কারো বিপদ শুনলে শাহীন ছুটে যান। তার প্রতি কর্মীদের এই ভালোবাসা কোনো কৃত্রিমতা নয়, বরং দীর্ঘদিনের নিবিড় সম্পর্কের প্রতিফলন।
পরিবারের সদস্যের মতো: কর্মীদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সংকটেও তাকে পাশে পাওয়া যায়, যা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিরল এক গুণ।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক প্রোফাইল
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা প্রশ্নাতীত। তার রাজনৈতিক পথচলা অত্যন্ত সমৃদ্ধ:
সাবেক আহ্বায়ক: ছাত্রদল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
সাবেক সহ-সভাপতি: ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ।
সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।
সাবেক আহ্বায়ক: ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল।

তৃণমূলের জোরালো দাবি
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ নেতা-কর্মীদের মতে, রাজপথের পরীক্ষিত, নির্ভীক এবং কর্মীদের হৃদস্পন্দন বুঝতে পারা গোলাম মাওলা শাহীনই সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য সবচেয়ে যোগ্য। তাদের দাবি, শাহীনের মতো দক্ষ সংগঠককে এই দায়িত্বে আনা হলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি হবে যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত।

রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে এখন জোরালো গুঞ্জন—তৃণমূলের এই দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে দলের হাইকমান্ড হয়তো রাজপথের এই প্রকৃত সেনাপতিকেই বেছে নেবেন আগামীর নেতৃত্বে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category