| ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২রা সফর, ১৪৪৮ হিজরি July 16, 2026, 2:32 am
Title :
নান্দাইল খাদ্য গুদামে বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের সভাপতি জননেতা আয়মান হোসেন অপু নেতাকর্মীদের সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক : বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ লক্ষ্মীপুরে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিকতার বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা স্মারক” রথযাত্রা উদ্‌যাপনের লক্ষে ডিএমপির পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে : ডিএমপি কমিশনার সুস্থ, শিক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা দেশের সমৃদ্ধি বয়ে আনে : বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ ময়মনসিংহ সেটেলমেন্ট অফিসে কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্বে দুর্নীতির অভিযোগ ডেপুটি স্পীকারের উদ্দ্যেগে : এগিয়ে যাচ্ছে দুর্গাপুরের সংস্কৃতি স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ দমনে আমাদের আরও চেষ্টা বাড়াতে হবে : ডিসি ময়মনসিংহ

নান্দাইল খাদ্য গুদামে বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
  • 1 Time View

স্টাফ রিপোর্টার : ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে চলতি বোরো ধান – চাউল সংগ্রহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে উঠেছে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গুদাম ইনচার্য ফেরদৌস এর বিরুদ্বে। জানা যায় টন প্রতি বোরো চাউল সংগ্রহে দুই হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে নিম্ন মানের ভাঙ্গা মিশ্রণ ৬০০ টন চাউল সংগ্রহ করেছে। নাম মাত্র কৃষকদের কাছ থেকে বোরো ধান সংগ্রহ করে সিন্টিকেট এর কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করছে।

উপজেলার চন্ডীপাশা ও বেতাগৈর ইউনিয়নের কৃষক আহাম্মদ, নজরুল ইসলাম, মনু মুন্সীর সাথে কথা বলে জানা যায় গুদামে ধান নিয়ে গেলে গুদাম ইনচার্য নানা দোষ ধরে ধান নিতে গড়িমসি করে। ধান ভরা গাড়ি গুদাম চত্বরে দুই দিন থাকলে ভাড়া বেড়ে যায়। আবার অনেকের ধান গুদামে নিয়ে গেলে ঐ দিনই ধান নিয়ে নেয়।

একটি সুত্রে জানা যায় নিম্ন মানের চাউল বাজার গুদামে কৌশলে খামালে মজুদ করে। আর জানা যায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসিএলএসডি) খাদ্য বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদর নামে ঘুষ বাণিজ্য করছে। তিনি নাকি বিশ লক্ষ টাকা দিয়ে পোস্টিং নিয়েছে। গুদামে ভালো মানের চাউল আসলে কৌশলে তা বাহিরে বেশি দামে বিক্রি করে গুদামে কম মুল্যের নিম্ন মানের চাউল মজুদ করে। এছাড়াও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসিএলএসডি)র বিরুদ্বে রয়েছে আরও অনিয়ম ও দুর্নীতি। এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসিএলএসডি) র বক্তব্য জানতে একাধিকার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।

অপরদিকে জেলার হালুয়াঘাট, ভালুকা, ধানিখোলা খাদ্য গুদামে বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা য়ায় হালুয়াঘাট খাদ্য গুদামে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসিএলএসডি) পদে পোস্টিং পেতে পাঁচজন খাদ্য পরিদর্শক প্রার্থী ছিলেন। চারজন কে পেছনে ফেলে সালমা আক্তার নামে খাদ্য পরিদর্শক মোটা অংকের টাকা খরচ করে পোস্টিং বাগিয়ে নেয়। সালমা আক্তার আগে নেত্রকোনার মদন খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন কালে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে নেয়। ময়মনসিংহ বিভাগে অনেক সিনিয়র দক্ষ খাদ্য পরিদর্শক থাকার পরও গুদামে পোস্টিং পায়নি।

খাদ্য মন্তণালয়ের ধান – চাউল সংগ্রহ কালীন সময়ে অফিস ত্যাগ করা যাবে না পরিপত্র জারী করেছে তা বহাল রয়েছে। পরি পত্রের নির্দেশ উপেক্ষা করে সালমা আক্তার শেরপুর নিজ বাড়ী থেকে এসে অফিস করে বিকাল তিনটার পরে শেরপুরে চলে যায়। ময়মনসিংহ বিভাগে কয়েকজন অর্থলোভী মহিলা খাদ্য পরিদর্শক রয়েছে নিজ বাসা বাড়ী থেকে ৬০ / ৭০ কিলো দুরে খাদ্য গুদামে পোস্টিং নেয় দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যামে টাকা কামানোর জন্য। ময়মনসিংহ বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্বে কঠোর অবস্হানে থাকলেও খাদ্য বিভাগের একটি সিন্টিকেটের বাধার সম্মুখীন হতে হয়।

সিন্টিকেট এর বিরুদ্বে পাওয়া গেছে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category