| ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি May 16, 2026, 7:01 pm
Title :
‘সাংবাদিকদের অধিকার কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিতে হবে’ সেরা সংগঠক সম্মানা পেলেন ফারুক হোসেন মজুমদার ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সম্পাদক, ত্যাগী ও সংগ্রামী ছাত্রনেতা সোহেল। তার এই অর্জনে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের আরও ১৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠাল সরকার জাল সার্টিফিকেটে বয়স বাড়িয়ে চাকরি: বাউফলে দফাদারের বিরুদ্ধে তদন্তে উপজেলা প্রশাসন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিলের ১% চাঁদার দাবিতে পিডিকে অবরুদ্ধ করলো ছাত্রদল ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হলেন বাকেরগঞ্জের কীর্তি সন্তান মো:ইমরান হাওলাদার! ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হলেন বাকেরগঞ্জ এর কৃতি সন্তান মো: আল মামুন নাহিদ মিথ্যা মামলা ও চার্জশিটে ভুক্তভোগী এশিয়ান টিভির সাংবাদিক ফয়সাল মাহমুদ; তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নজমুল মোল্লার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কুমিল্লায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত: ‘এআইয়ের অপব্যবহার ও গুজব রোধে সোচ্চার হতে হবে

অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগ !

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, এপ্রিল ২০, ২০২৬
  • 45 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাগেরহাট জেলার শরণখোলায় ডক্টর মাসুম বিল্লাহ ডি. এন কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে একের পর এক জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় শিক্ষক, কর্মচারী, ট্রাষ্টি ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তিনি শিক্ষানীতিমালা ভঙ্গ করে ভূয়া সার্টিফিকেটের মাধ্যমে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ নেন। এবং দুই দশক ধরে নানা অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন।

অধ্যক্ষ মাহমুদুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকার সত্ত্বেও ভূয়া সনদ ব্যবহার করে অধ্যক্ষ পদে যোগদান। প্রয়োজনীয় দশ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা না থাকার সত্ত্বেও তথ্য গোপন করে নিয়োগ নেওয়া। একই সময়ে দুইটি একাডেমিক ডিগ্রি ( ফাজিল ও বি এ অনার্স) অর্জন করে জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। কলেজের ২৯ জন শিক্ষক -কর্মচারীর মধ্যে ২৭ জন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন। শিক্ষক ও চাকুরী প্রার্থীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষের বিনিময়ে চাকুরী দেয়া ও কলেজ ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও কলেজে দান করা জমি ও সম্পদ দখল ও অপব্যবহার।

শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন ফি গ্রহণ করেও ফর্ম পূরণ না করার মতে ভয়ংকর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী মিজানুর রহমান জানান, অধ্যক্ষ মাহমুদুল শুধু ভূয়া সনদে চাকুরী নিয়েই থামেননি, বরং কলেজের কোটি কোটি টাকার সম্পদ, অনুদান ও শিক্ষার্থীদের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা না নিলে কলেজের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাবে।

ভুক্তভোগী কলেজের শিক্ষক ও ভুক্তভোগীরা অধ্যক্ষের দুর্নীতি, জালজালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে দুদকে অভিযোগ জমা দিয়েছেন, দুদক বিষয়গুলো আমলে নিয়ে তদন্ত করার জন্য মাউশিকে তদন্ত প্রদান করেন। মাউশি বাগেরহাট জেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করার জন্য চিঠি প্রদান করেন। জেলা শিক্ষা অফিসার খুলনা সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সাইফুর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করেন। উক্ত কমিটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পান। তদন্ত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন বাগেরহাট জেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেন।

ড. মাসুম বিল্লাহ ডিএন কারিগরি কলেজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই শিক্ষক জানান,জাল জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ অবৈধ কার্যকলাপের জন্য একাধিকবার কলেজ থেকে বরখাস্ত হন। পুনরায় ক্ষমা ভিক্ষা চেয়ে আবার ফিরে এসে তার আগের কার্যক্রম চালাতে থাকে। মাহমুদুলের চক্রান্তের কারণে ২০২৩ সাল থেকে কলেজ কোন ব্যবস্থাপনা কমিটি ছাড়া চলছে।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মাহমুদুল হাসানের ব‍্যক্তিগত নাম্বারে একাদিক বার ফোন দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category