| ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২রা সফর, ১৪৪৮ হিজরি July 16, 2026, 5:42 pm
Title :
সিরাজগঞ্জ-৬(শাহজাদপুর)আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি চয়ন ইসলাম কা‘রা‘গা‘র থেকে মুক্তি পেলেন বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের সভাপতি জননেতা আয়মান হোসেন অপু নেতাকর্মীদের সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক : বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ লক্ষ্মীপুরে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিকতার বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা স্মারক” রথযাত্রা উদ্‌যাপনের লক্ষে ডিএমপির পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে : ডিএমপি কমিশনার সুস্থ, শিক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা দেশের সমৃদ্ধি বয়ে আনে : বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ ময়মনসিংহ সেটেলমেন্ট অফিসে কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্বে দুর্নীতির অভিযোগ ডেপুটি স্পীকারের উদ্দ্যেগে : এগিয়ে যাচ্ছে দুর্গাপুরের সংস্কৃতি স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ দমনে আমাদের আরও চেষ্টা বাড়াতে হবে : ডিসি ময়মনসিংহ

উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদাসীনতা   অভয়াশ্রমের পাশে ব্যক্তি মালিকানাধীন ফাঁদ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, নভেম্বর ২৯, ২০২৫
  • 199 Time View

মোঃ বশির উদ্দিন

বরিশাল (বাকেরগঞ্জ) প্রতিনিধি

বাকেরগঞ্জে তুলাতলি নদীর  মাছের সরকারী অভয়াশ্রমের পাশেই রয়েছে ব্যক্তি মালিকানা ধীন  মাছ ধরার বিশাল ফাঁদ ঝাড়া (ঝাউ)।

অনেকটা  ইচ্ছাকৃত ভাবেই সরকারি অভয়াশ্রমের  নিকট ফাঁদ পেতে মাছ ধরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জানা যায়  মৎস্য কর্মকর্তার সাথে আতাত করেই মাছ ধরার  এই ফাঁদ বা ঝাউ পেতেছে  কিছু লোক।

স্থানীয়দের অভিযোগ মৎস্য কর্মকর্তার তদারকি না থাকায় জেলেরা এভাবেই মাছ ধরার ফাঁদ তৈরি করে মাছ শিকার করে থাকেন। এছাড়াও নিয়মিত  অভয়াশ্রমের পাশে জাল ও বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করেন বলেও জানা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর থেকে প্রায় তিন শত মিটার দূরেই রয়েছে তুলাতলী নদী। যা মৎস্য অফিস থেকেই দেখা যায়। এই নদীর তীরে মাছের অবাদ চলাফেরা এবং নির্ভয়ে প্রজনন ও বংশ বৃদ্ধিরসহ মাছের ঘাটতি দূর করতে সরকার মাছের  নিরাপদ বংশ বিস্তার জন্য একটি সরকারি  অর্থায়নে এবং  আরএকটা প্রকল্পের আওতায়  অভয়াশ্রমে তৈরি করেন।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা মৎস্য দপ্তরের অধীনে  দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষন ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২৩ সালে একটি অভয়াশ্রম স্থাপন করা হয়।

মৎস্য দপ্তরের সঠিক তদারকির অভাবে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত  দুটি অভয়াশ্রমের  মাঝখানে ব্যক্তি উদ্যোগে দুটি মাছ ধরার ফাঁদ ঝাড়া রয়েছে এবং তার একটু পরেই আরও কয়েকটি  (ঝাউ)  ফাদ রয়েছে।   তাছাড়া নদীর ওপারেও  রয়েছে ৬/৭ টি মাছ ধরার ঝাড়া। এবং প্রায়ই দেখা মেলে স্হানীয়  জেলেরা  সরকারী এই অভয়াশ্রমের পাশেই জাল ফেলে মাছ শিকার করছে।

সরকার প্রতি বছর অভয়াশ্রম সংস্কার ও রক্ষনাবেক্ষনের জন্য বরাদ্দ দিয়ে থাকেন।  কিন্তুু বরাদ্দের  টাকা দিয়ে প্রতি বছর বাশ, ডাল-পালা ক্রয় করে অভয়াশ্রমে দেওয়ার কথা। সরকার বরাদ্ধ দিলেও সেই অর্থ ব্যবহার হয়না অভয়াশ্রমে। অভয়াশ্রমে শুধু কয়েকটি পুরাতন  বাশ ছাড়া আর কিছুই দেখা যায়না। যে কারনে অভয়াশ্রমে মাছের অবস্থান তুলনামুলক কম থাকে। অথচ পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন মাছ ধরার ফাঁদে অধিক পরিমান মাছ দেখা যায়।

নিয়মানুযায়ী অভয়াশ্রমের উভয় দিকে এক কিলোমিটারের ভিতরে মাছ শিকার, মাছ ধরার ফাঁদ এমনকি জাল বা বড়সি দিয়ে মাছ ধারার কোন নিয়ন নেই। অথচ দুটি অভয়াশ্রমের  খুব নিকটেই রয়েছে দুটি ব্যক্তি মালিকানার মাছ ধরার ফাঁদ ঝাড়া (ঝাউ)।

অপরদিকে এই অভয়আশ্রমের এক কিলোমিটারের ভিতরে রয়েছে অসংখ্য মাছ ধরার ফাঁদ  বা  (স্হানীয় ভাষায় ঝাউ)।

মাছ রক্ষার জন্য সরকারের এত উদ্যোগ ও কর্মসূচি  থাকা সত্বেও  কিছু অসৎ মৎস্য কর্মকর্তার উদাসিনতায় সরকারের সকল পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

যার সত্যতা  বাকেরগঞ্জ তুলাতলি নদীর অভয়আশ্রমের  চিত্রই বলে দেয়। মাত্র কয়েকটি বাঁশ ছাড়া নেই কোন ডাল পালা যা মাছের নিরাপদে অবস্থানের কোন ব্যবস্থাই দেখা মিলবে না। এ যেন দায় সাড়া অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category