
বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি- অভিযোগের শেষ নেই বাকেরগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রদীপ দাসের বিরুদ্ধে। দুর্নীতির মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের আগে শ্রান্তি বিনোদন ভাতা গ্রহণ, অফিসের বিভিন্ন ভুয়া বিল ভাউচার করে অর্থ আত্মসাৎ, ডিএমএম কর্মকর্তাদের অবৈধ ইনকামের কমিশন গ্রহণ ও মিডিয়া কর্মীদের সাতে বাজে আচরণসহ অসংখ্য অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।
জানা যায়, গত ২০২৪ সালের ১২ মে বাকেরগঞ্জ উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে যোগদান করেন প্রদীপ দাস। যোগদানের পর থেকেই অফিসে কর্মরত কর্মীদের ভাতা উত্তোলন ও বিল ভাউচারের নামে অর্থ আত্মসাৎ করে চলেছেন। ফরিদপুর ইউনিয়নের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত ডিএমএফ সবুজ অফিস চলাকালীন সময় রোগী দেখার নামে ফি গ্রহন, রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা তার নির্ধারিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করানোসহ অনিয়মের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন। সেই টাকা থেকেও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রদীপ দাস প্রতিমাসেও কমিশন নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রদীপ দাস তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ফরিদপুর ইউনিয়ন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ডিএমএফ সবুজের বিষয় বেশ কিছু অভিযোগ পেয়েছি। তিনি সরকারি অফিসে রোগী দেখার নামে জনপ্রতি ১০০ টাকা করে নিয়ে থাকেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।