
বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি-বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল ইসলাম মাহির বিরুদ্ধে মিথ্যে তথ্য দিয়ে অপপ্রচার করায় পৌরসভা ও উপজেলা জুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। অপপ্রচারকারীরা বীর মুক্তিযোদ্ধা সুধীর কুমার দাসের বীর নিবাসের জমির মাটি কেটে নেওয়ার মিথ্যে মনগড়া অভিযোগ দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে ।
এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা সুধীর কুমার দাস এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে জানান, আমার সম্পত্তি এবং ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল ইসলাম মাহি’র পৈত্রিক সম্পত্তি পাশাপাশি হওয়ায় আমাদের উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সীমানা প্রাচীর নির্মানের জন্য মাটি কাটাকে
একটি স্বার্থন্বেষী মহল তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য তিনি এবং তার ছেলেদের কাছে কোন প্রকার জিজ্ঞাসা না করে মনগড়া বানোয়াট তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালান। বিষয়টি তার দৃষ্টিগোচর হলে তিনি এবং তার সন্তানরা সত্য ঘটনা তুলে ধরে ভিডিও সাক্ষাৎকার দেন। তিনি আরো জানান তিনি মোঃ ওবায়দুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে যাননি।এ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন ফেক আইডি থেকে যে নিউজ প্রচার করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যে ও ভিত্তিহীন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা সুধীর বাবু আরোও জানান, বাকেরগঞ্জ পৌরসভা বিএনপির সভাপতি জনাব নাসির জোমাদ্দারও আমাদের এখানে এসে পরিদর্শন করেছেন এবং আমি তাকে বলেছি আমাদের উভয়ের সম্মতিতে সীমানা প্রচীর নির্মানের কাজ চলছে এবং ওবায়দুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে আমার কোন অভিযোগ নেই।
এ বিষয়ে ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল ইসলাম মাহি সংবাদ মাধ্যমকে জানান তার বাবা মরহুম আব্দুল মান্নানের রেকর্ডীয় সম্পত্তি থেকে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে এবং সম্মতিক্রমে বাউন্ডারি দেওয়ার জন্য সামান্য লেয়ারের মাটি কাটেন। তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়ও প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে একটি স্বার্থন্বেষী মহল মিথ্যে গুজব ছড়াচ্ছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যে ও ভিত্তিহীন এছাড়াও তিনি ৪নং ওয়ার্ডের জনসাধারণের খেদমত করে আসছেন ।
মুক্তিযোদ্ধা সুধীর কুমার ও তার ছেলেরা মিথ্যে অপ্রচার করা আইডির বিবির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি ও সহায়তা কামনা করেছেন।
সুধীর কুমার দাসের বড় পুত্র সন্তোষ কুমার দাস বলেন, বাকেরগঞ্জ পৌরসভা ভবনের পিছনে তার পিতা রেকর্ডিয় সূত্রে ৩.১৯ শতাংশ জমির মালিক। গত ২০২৩ সালে সরকার থেকে বসবাসের জন্য তার পিতাকে বীর নিবাস নির্মাণ করে দেয় তাদের জমি সম্পূর্ণই তাদের নিজ দখলে । গত কয়েক দিন যাবত পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল ইসলাম মাহি বীর নিবাস সংলগ্ন আমাদের রেকর্ডীয় জমির বাদ দিয়ে ওবায়েদুল এর পত্রিক রেকর্ডীয়ও সম্পত্তিতে সীমানা প্রাচীর নির্মানের জন্য লেয়ার কাটেন।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি সংবাদ মাধ্যমকে জানান ওবায়দুল ইসলাম মাহির জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন,এ ধরনের মিথ্যে প্রপাগান্ডা রটালে ওবায়দুল ইসলাম মাহির জনপ্রিয়তা কমবে না বরং আরো বাড়বে।
এ- বিষয়ে বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ জনাব আবুল কালাম আজাদ বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার বীর নিবাসের মাটি কাটার বিষয়ে কেউ এখনো কোন অভিযোগ দেয়নি। আর ফেইক আইডির মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তির চরিত্র হরণ করলে অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।