
ভোলা প্রতিনিধি!!
ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর ৮নং ওয়ার্ডে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেড় ধরে মা ও ছেলেকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে স্থানীয় সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু চক্রের মূল হোতা ইসমাইল ও তার সহযোগীরা। আহতরা বর্তমানে ভোলা সদর হাসপাতালে আশঙ্কাজনক আবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে ভোলা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে মামলা নং-৫১। তারিখ-২৮-০১-২৩। থানার মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর ৮নং ওয়ার্ডে আহত রিপার স্বামী ছগির আহাম্মেদ তার প্রতিবেশী মৃত আবদুল জব্বারের ছেলে ইসমাইল গংদের কাছ থেকে সাব কাবলা মূলে জমি ক্রয় করে ঘর দরজা, বাগান-বাগিচা সৃজন করে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছিলো। কিছুদিন পূর্বে ওই জমির উপর লোলুপ দৃষ্টি পরে স্থানীয় ভূমিদস্যু চক্রের মূল হোতা মৃত জবর আলীর ছেলে ইসমাইল গংদের। বিগত দিনে ইসমাইল ও তার পালিত সহযোগীরা ছগির ও তার স্ত্রী রিপা বেগমকে তাদের ভোগ দখলীয় জমি হতে সমূলে উৎখাত করার জন্য হামলা-মামলাসহ বিভিন্ন সড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে। কোন ভাবেই রিপা ও তার পরিবারকে এলাকা ছাড়া করতে না পেরে ইসমাইল ও তার সহযোগী সন্ত্রাসী বাহিনীরা জোড় পূর্বক তার বসত ঘর লুট-তরাজ ও হামলা চালানোর পরিকল্পনা করে। গত ২৮ জানুয়ারী দুপুরের দিকে ইসমাইল, ইব্রাহীম, মুসা, আয়শা ও আসমা সহ ৮/১০জনের একটি সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রিপার বসত বাড়িতে অনাধিকার ভাবে প্রবেশ করে। এসম উভয়ের বাক বিতন্ডের এক পর্যায়ে ইসমাইল তার সন্ত্রাসী বাহিনীদের সাথে নিয়ে রিপার বসত ঘরে প্রবেশ করে। এসময় সন্ত্রাসীরা রিপার ছেলে হৃদয়কে এলোপাথারী মারধর শুরু করলে তার মা রিপা বেগম ছেলেকে বাচাতে ছুটে আসে। এসময় সন্ত্রাসীরা হৃদয়ের মা রিপাকেও পিটিয়ে গুরুতর ফুলা-জখম করে। অন্যদিকে সন্ত্রাসীরা রিপার শ্লীলতাহানী করে তার সাথে থাকা ১০ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন যার বর্তমান বাজার মূল্য ৫৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় যায়। উল্লেখ্য বর্বরোচিত সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিপার ছেলে হৃদয়কে কুপিয়ে ও লোহার রড দ্বারা পিটিয়ে তার মাথা, দুহাত ও দুপা গুড়িয়ে দেয়। বর্তমানে সে অশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্যদিকে মামলার ১নং আসামী সন্ত্রাসী ইসমাইল যাবার সময় রিপার ঘরে থাকা স্টীলের আলমীরা ভেঙ্গে নগদ দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা অচেতন অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপালে ভর্তি করায়। পরে রিপার বোন নাজমা বেগম বাদী হয়ে ভোলা সদর থানায় ইসমাইলসহ ৫জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে। এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাদেরকে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেণ, আহত রিপা ও ওই এলাকার সচেতন মহল।