| ২৫শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২৯শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি October 10, 2026, 3:13 am
Title :
প্রবাসীর জমি জোর করে দখল করার অভিযোগ উঠেছে আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে দিঘলীতে সরকারি খাস জমি দখল ও ভূয়া নথিতে জমি বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ পরকীয়া সন্দেহে কিশোর ওমরকে হাত-পা বেঁধে হত্যা, ৫ বছর পর পিবিআইয়ের হাতে আসামি গ্রেপ্তার মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে :মহামান্য রাষ্ট্রপতি নরসিংদী জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান: সদর থানা এলাকায় ২২ জন গ্রেপ্তার, দেশীয় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার শাহজাদপুরে জুয়া অভিযান, নগদ টাকাসহ আটক ৪, পলাতক ১৭ আতপ চালের চাহিদা ও ভোগ নিয়ে গবেষণা জরুরি : খাদ্যমন্ত্রী কুড়িগ্রামের রাজারহাটে আসন্ন দুর্গাপূজাকে ঘিরে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত যশোরের শার্শা-বেনাপোলে পাটখড়ির দামে লাভবান কৃষকেরা নড়িয়ায় শহীদ অর্ণবের চাচাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে থানায় নেওয়ার অভিযোগ, ওসিকে হুমকি

শিক্ষামন্ত্রীর ‘নকল বন্ধ’ ঘোষণা ভেঙে চুরমার ১০-১২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে এসএসসি প্রশ্নপত্র!

সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক খান মেহেদী
  • Update Time : শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬
  • 157 Time View
৩২০

নকলমুক্ত ও সুষ্ঠু এসএসসি পরীক্ষা নিশ্চিতের জোরালো ঘোষণা দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল, “আর কোনোভাবেই নকল হবে না”। কিন্তু সেই ঘোষণার বাস্তব চিত্র এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন।

দেশজুড়ে টেলিগ্রামের বিভিন্ন সিক্রেট গ্রুপে প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রশ্ন পরীক্ষার আগেই সরবরাহ করা হচ্ছে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে। এই চক্র সরাসরি পরীক্ষার্থীদের টার্গেট করে অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন পৌঁছে দিচ্ছে।

জনপ্রিয় গণমাধ্যম ‘সময় টেলিভিশন’-এ প্রকাশিত অনুসন্ধানে প্রমাণসহ দেখা গেছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্নপত্র এসব গোপন গ্রুপে কেনাবেচা হচ্ছে। নির্ধারিত দামে প্রশ্ন সরবরাহের পুরো প্রক্রিয়া সেখানে সুসংগঠিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
একজন পরীক্ষার্থী জানিয়েছে, সে নিজেই প্রশ্ন কিনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে এবং পরীক্ষার হলে গিয়ে তার কেনা প্রশ্নের সঙ্গে হুবহু মিল পেয়েছে। এই ঘটনা সরাসরি প্রশ্নফাঁসের বাস্তবতা তুলে ধরে।

এ অবস্থায় বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—শিক্ষামন্ত্রীর ‘নকল বন্ধ’ ঘোষণার বাস্তবায়ন কোথায়? কঠোর নিরাপত্তা ও নজরদারির দাবি থাকলেও কীভাবে প্রশ্নপত্র বাজারে বিক্রি হচ্ছে, তার জবাব নেই।

শিক্ষা ব্যবস্থার এই ভাঙন শুধু পরীক্ষার স্বচ্ছতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে না, বরং মেধাভিত্তিক মূল্যায়নকেও ধ্বংস করছে। প্রকৃত মেধাবীরা যেখানে পরিশ্রম করে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে, সেখানে অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন কিনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়া পুরো ব্যবস্থার জন্য চরম হুমকি।

শিক্ষা বোর্ড বলছে, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন থেকে বিতরণ পর্যন্ত সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সাইবার নজরদারি জোরদারের কথা জানিয়েছে।

তবে বাস্তবতা একটাই—ঘোষণা আছে, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ নেই। আর সেই সুযোগেই জমে উঠেছে প্রশ্নপত্রের কালোবাজার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category