| ২২শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |১৭ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি February 5, 2026, 5:06 pm
Title :
সরকারি প্রকল্পে অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ : প্রশ্নের মুখে প্রকৌশলী সাদরুলের ভূমিকা ডিপিডিসির মাতুয়াইলে গ্রাহক জিম্মি অবৈধ সংযোগ ও ঘুষ বাণিজ্যের নেপথ্যে লাইনম্যান ফিরোজ “সুস্থ প্রজন্মের জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার বিকল্প নেই” — ইউএনও রুমানা আফরোজ বরিশালের আওয়ামী লীগ সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুলকে ঘিরে জনমনে ক্ষোভ জমকালো আয়োজনে অনুরাগের বর্ষবরণ বিচার যখন নির্দোষের জীবন নেয় গ্রামপুলিশ সদস্যদের সতর্ক করল চাঁদামুক্ত সংগঠন, ১৯–২০তম গ্রেড বাস্তবায়নে ঐক্যের আহ্বান অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিমাসে কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে নাহিদের বিরুদ্ধে ! ​রাজশাহীতে সরকারি রাস্তা দখল করে আওয়ামী লীগ নেতার মার্কেট জাতীয় সাংবাদিক ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ (জেএসএফবি)-এর ২০২৬-২৮ নির্বাচনে সভাপতি ফারুক হোসেন মজুমদার সাধারণ সম্পাদক কে এম রুবেল

সরকারি প্রকল্পে অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ : প্রশ্নের মুখে প্রকৌশলী সাদরুলের ভূমিকা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬
  • 0 Time View

রাজশাহী প্রতিনিধি :

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় থাকাকালীন উপজেলা প্রকৌশলী সাদরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবহার করে অনিয়ম, নথি জালিয়াতি এবং অর্থ আত্মসাতের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি গোদাগাড়ী উপজেলায় কর্মরত থাকলেও সেখানেও তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে অর্থ ব্যবস্থাপনায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

​অনুসন্ধানে জানা গেছে, মোহনপুরে ২০২৩–২০২৪ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) এবং উপজেলা উন্নয়ন সহায়তা থোক বরাদ্দের আওতায় বাস্তবায়িত একাধিক প্রকল্পে প্রায় ৩৫ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সাদরুল ইসলাম প্রকৌশলী হয়েও কার্যত ঠিকাদারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। প্রকল্প প্রস্তাবনা থেকে শুরু করে বিল প্রস্তুত ও ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন—সবই তার একক নিয়ন্ত্রণে ছিল।

​নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, উপজেলা চত্বরের মিতালী ও বনানী কোয়ার্টার এবং একটি ডরমিটরি ভবনের মেরামত কাজ শতভাগ সম্পন্ন দেখিয়ে ২০২৪ সালের এপ্রিল ও মে মাসে পৃথক তিনটি বিলের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে এসব কাজের অগ্রগতি ছিল নগণ্য। এছাড়া ৯ লাখ ৯৮ হাজার টাকার একটি সিসিকরণ রাস্তা মাত্র ৭২ ঘণ্টায় নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে শেষ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

​জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১০ জুন ভাতুড়িয়া গ্রামের আব্দুল ওহাব নামের এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার বরাবর সাদরুল ইসলামের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রকৌশলী সাদরুল সরকারি বিধি উপেক্ষা করে ইউএনও ও মেয়াদোত্তীর্ণ সাবেক চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর ব্যবহার করে বিল বৈধ করেছেন। এমনকি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অনেক ক্ষেত্রে প্রকল্প সম্পর্কে জানতেনই না।

​বর্তমানে গোদাগাড়ী উপজেলায় কর্মরত থাকাকালে সাদরুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও ঠিকাদারি কার্যক্রমে অস্থিতিশীলতা তৈরির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের মতে, প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে তার কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও দাপটের কারণে সাধারণ কর্মচারী ও ঠিকাদাররা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তার এই একক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ফলে সরকারি তহবিলের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

​এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে জানতে গোদাগাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী সাদরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি।

স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন ও ফরেনসিক অডিট প্রয়োজন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category