| ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |৬ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি September 17, 2026, 5:45 pm
Title :
বেনাপোলে শিশুসহ ১৮ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর নরসিংদীর শিল্প কারখানায় প্রায় ২ মাস পর বেড়েছে গ্যাস সরবরাহ, ফিরেছে স্বস্তি বেগমগঞ্জে সন্ত্রাসী মামলার ৩ আসামী গ্রেপ্তার কালীগঞ্জে পিআইও কার্যালয় ঘিরে নানা অভিযোগ। প্রকল্পের কাজ, বরাদ্দ ও বিল প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ফরিদপুরের নগরকান্দায় খালের জায়গায় অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, অস্বাস্থ্যকর বেকারিকে জরিমানা পহরচাঁদায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ, ঝুঁকিতে রেলব্রিজ ও সরকারি সড়ক রাজশাহীতে সাগর-রুনি হত্যার বিচার ও অব্যহত গুম-খুন-হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ৪০ বছরের ভোগদখলি জমি নিয়ে বিপাকে এক পরিবার। টেকনাফে ছেলের ছুরিকাঘাতে পিতার মৃত্যু দিনাজপুর বীরগঞ্জে থানা পুলিশের সহায়তায় সৌদি প্রবাসী ফিরে পেল হারিয়ে যাওয়া ব্যাগসহ পাসপোর্ট।

৪০ বছরের ভোগদখলি জমি নিয়ে বিপাকে এক পরিবার।

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
  • Update Time : বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
  • 7 Time View
১৬

কমলনগরে ১৯৯২ সালের দলিলের জমি জমা-খারিজ না করে ১৯৯৬ সালের দলিলের মালিকের নামে ১৭ শতক জমি খারিজ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দায়ের করা দুটি মিস মামলা খারিজ হওয়ায় ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী পরিবার। পাশাপাশি ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ ও নগদ ছয় হাজার টাকা গ্রহণ।

ভুক্তভোগী হাজী বিল্লাল হোসেনের মেজো ছেলে আনোয়ার হোসেনের অভিযোগ, ১৯৯২ সালে মোস্তফা খাতুনের কাছ থেকে ৮৮৭৮ ও ৮৮৭৯,৮৮৭৯ দাগে তিনটি দলিল মূলে ১৪৬ শতাংশ জমি কেনেন তার বাবা। ওই জমিতে প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বাড়ি-ঘর করে বসবাস করছেন।

গত ৯ মার্চ ২০২৫ সালে ওই ১৪৬ শতাংশ জমি বাবার নামে জমা-খারিজের আবেদন করেন আনোয়ার। কিন্তু তৎকালীন সহকারী কমিশনার ভূমি শামসুদ্দিন মো. রেজা ১৪৬ শতক থেকে ১৭ শতক কেটে ১৯৬ সালের দলিলের দাতা হাজী নুর নবীর নামে জমা-খারিজ করে দেন বলে অভিযোগ। ওই খারিজ খতিয়ান নম্বর ৩০৯২।
এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আনোয়ার হোসেন গত ৮ সেপ্টেম্বর ১৫৮০ ও ১৬ সেপ্টেম্বর ১৫৮৭ নম্বরে এবং ৩০৯২ ও ২৯৯৮ খতিয়ানের বিরুদ্ধে মিস মামলা দায়ের করেন।
কিন্তু বর্তমান সহকারী কমিশনার ভূমি মোহাম্মদ আরাফাত হুসাইন গত ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দুটি মিস মামলাই খারিজ করে দেন।

আনোয়ার হোসেনের অভিযোগ, “সার্ভেয়ার আব্দুল্লাহ আল মামুন আমার কাছে ৩ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং নগদ ৬ হাজার টাকা নেন। এরপরই আমার ১৭ শতক জমি জেটা নুর নবীর নামে তদন্ত রিপোর্ট করে দেন।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সার্ভেয়ার আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘুষ দাবি ও গ্রহণের কথা অস্বীকার করেন।
হাজী নুর নবী বলেন, “আমাদের সব কাগজপত্র আছে। দুই পক্ষ বসে সমাধান করা যাবে। যদি বিল্লাল হোসেনরা জমি পান, দিয়ে দেওয়া হবে।”
সহকারী কমিশনার ভূমি মোহাম্মদ আরাফাত হুসাইন বলেন, “সার্ভেয়ার ঘুষ চেয়ে থাকলে লিখিত অভিযোগ দিন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, গত ১৩ সেপ্টেম্বর এসিল্যান্ড আরাফাত হুসাইন তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ‘ভুয়া সাংবাদিক’ লিখে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, তিনি কখনো এক টাকাও ঘুষ খাননি এবং ৩০৯২ নম্বর খতিয়ানের জমা-খারিজ তিনি দেননি। এবং খতিয়ানটি লাল কালি দিয়ে মুছে পোস্ট করেন। এবং ৯৫০২ দাগে আর জমা-খারিজ হবে না বলেও জানান।

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তুলেছেন, সংবাদ সংগ্রহের জন্য কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া কি অপরাধ? এবং অনুমতি ছাড়া সাংবাদিকদের ছবি তুলে ফেসবুকে দেওয়া কতটুকু যুক্তিযুক্ত? লাল কালি দিয়ে ৩০৯২ জমা খারিজ খতিয়ানে মুছে দেয়া বুঝা যাচ্ছে এ জমা খারিজ বড় ধরনের অনিয়ম হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category