
প্রথম বাংলা : ঢাকার দক্ষিণ বনশ্রীতে এক স্কুলছাত্রীকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় র্যাব সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। হত্যার পেছনে অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়াকে মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে র্যাব।
সোমবার ১২ জানুয়ারি বিকেলে কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
র্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন জানিয়েছেন, ২৮ বছর বয়সি মিলন মল্লিক নিহতের বাবার হোটেলের কর্মী ছিলেন। হোটেলের কাজে বিভিন্ন সময় ভিকটিমের বাসায় আসা-যাওয়া ছিল তার। দীর্ঘদিন ধরে মিলন ওই কিশোরীকে ‘অনৈতিক প্রস্তাব’ দিয়ে আসছিল। ঘটনার আগের রাতে আবারো অনৈতিক প্রস্তাব দিলে কিশোরী তার বিরোধিতা করে, যা মিলনের ক্ষোভের কারণ হয়। পরদিন মিলন ভিকটিমকে গলাকেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
নিহত কিশোরী রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। ঘটনার সময় তার বাবা-মা ও ভাই গ্রামের বাড়ি থাকায় বাসায় কেউ ছিলো। বড় বোন শোভা আক্তার ফিরে এসে ভিকটিমের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।
মামলার পর রবিবার রাতে বাগেরহাট সদর থানার বড় সিংগা এলাকা থেকে মিলনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ড স্বীকার করেছে। হত্যার সময় ব্যবহৃত বটি, নাইলনের দড়ি ও মিলনের পরিধেয় পোশাক উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-৩ এর অধিনায়ক জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ছবি, সংগৃহীত