
নিজস্ব প্রতিবেদক:
এ সময় কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন” বাংলার জনগনের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও বাংলাদেশ ধ্বংসকারী দের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলায় আমাদের একাত্তরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সৈনিকেরা ঐক্যবদ্ধ থাকবে।মিথ্যা মামলা ও হত্যার কান্ড চালিয়ে বঙ্গবন্ধুর সংগঠন কে কখনো মুছে দিতে পারবে না।
যারা এ বলে ৭১ এর বিরুদ্ধে কথা বলে তারা দেশ ধ্বংসকারী বাংলার জনগণকে শান্তিতে রাখতে পারেনা হত্যা মামলা আর নির্যাতন দর্শন চালিয়ে যাচ্ছে বাংলার জনগণের পাশে দাঁড়ানো একমাত্র আদর্শবান ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সৈনিক মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারণ করে সারা বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সংগঠনে শক্তিশালী করতে আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে সারা বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য বলতে চাই আপনারা যে যেখানে আছেন সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথের লড়াই চলবে।
আওয়ামী লীগের ঘরে জন্ম নিলে সবাই আওয়ামী লীগ হয় না, ৭১ পাকিস্তানের রেখে যাওয়া কিছু বীজ এখন ও আলবদর রাজাকার লালন পালন করে দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে ,সারাবাংলার মুজিব আদর্শের পরিক্ষিত সৈনিকদের অনুরোধ করছি সবাই নিজ নিজ এলাকার এই ধরনের মুনাফিক বেঈমান দের চিন্তিত করে ছবি সহ প্রকাশ করুন,আর ভুল করা যাবে না এই গুপ্ত থাকা শত্রু গুলো দল ও দেশের জন্য ক্ষতিকর।
এখন থেকে শিক্ষা নিতে হবে আমাদের সবাইকে,দলধ্বংসকারী যতো বড় নেতা হোক এদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।ষড়যন্ত্রকারীদের কালো হাত ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও আলবদর রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়, দিয়েছিতো রক্ত আরও দেবো রক্ত রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়।
আমার মাটি আমার মা পাকিস্তান হবে না’মুজিব আমার চেতনা মুজিব আমার বিশ্বাস, মুজিব আমার স্মরণে ভয় করিনা মরনে। আওয়ামিলীগ প্রতিশোধ নিতে আসবে বাংলাদেশ ভাগ্য পরিবর্ত ন করবে অসহায় মানুষের সেবা করবে।
এ সময় কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর বলেন” জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঐতিহাসিকদিনেই আমরা ধামরাই থেকে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ, ধামরাই আও য়ামী লীগের শত শত নেতা-কর্মী একযোগে মাঠে থাকবো। —এটি আমাদের কাছে শুধু একটি সফর নয়,বরং আদর্শ,বিশ্বাস এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতীক।
আমরা বিশ্বাস করি, সংকট যত গভীরই হোক,জনগণের শক্তি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সংবিধানের আদর্শ কখনও পরাজিত হয় না। দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো,গণতন্ত্র,উন্নয়ন এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সংগ্রামে অংশ নেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।
আমাদের এই প্রত্যাবর্তন কোনো ব্যক্তিগত অর্জনের জন্য নয়; এটি দেশ, জনগণ এবং আমাদের রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। আমরা শান্তি, ঐক্য এবং আইনের শাসনের ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয়ে দেশে ফিরছি”বাংলাদেশ চিরজীবী হোক