| ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২রা সফর, ১৪৪৮ হিজরি July 16, 2026, 2:10 pm
Title :
নদী রক্ষা ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে : ডিসি ময়মনসিংহ নান্দাইল খাদ্য গুদামে বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের সভাপতি জননেতা আয়মান হোসেন অপু নেতাকর্মীদের সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক : বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ লক্ষ্মীপুরে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিকতার বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা স্মারক” রথযাত্রা উদ্‌যাপনের লক্ষে ডিএমপির পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে : ডিএমপি কমিশনার সুস্থ, শিক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা দেশের সমৃদ্ধি বয়ে আনে : বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ ময়মনসিংহ সেটেলমেন্ট অফিসে কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্বে দুর্নীতির অভিযোগ ডেপুটি স্পীকারের উদ্দ্যেগে : এগিয়ে যাচ্ছে দুর্গাপুরের সংস্কৃতি

যাত্রাবাড়ি শ্রমিকলীগ নেতা পরিচয়ে রাশেদ রেজা জুয়েল এর চাঁদাবাজী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, জানুয়ারি ১১, ২০২৬
  • 194 Time View

স্টাফ রিপোর্টার:- ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় প্রভাব বিস্তার, চাঁদাবাজি ও ভুয়া সাংবাদিকতার অভিযোগ উঠেছে রাশেদ রেজা জুয়েল নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

কুমিল্লার অধিবাসী জুয়েল একসময় নিজেকে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক এর স্ত্রী রিক্তার ভাগিনা পরিচয় দিয়ে এলাকায় দাপট দেখাতেন এবং মাদক ব্যবসাহী ও যাত্রাবাড়ি শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, কাজী নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে বিএ পাস করার পর তার কোনো দৃশ্যমান বা বৈধ ব্যবসা কিংবা আয়ের উৎস না থাকলেও রাজনৈতিক পরিচয়ের জোরে তিনি যাত্রাবাড়ী থানাধীন এলাকায় একপ্রকার “অদৃশ্য সাম্রাজ্য” কায়েম করেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাশেদ রেজা জুয়েল বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নামে পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) ব্যবহার করে নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতেন। তবে বাস্তবে তার নামে কোনো উল্লেখযোগ্য সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন কিংবা মূলধারার সাংবাদিকতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগীদের দাবি, এই তথাকথিত শ্রমিকলীগ নেতা ও সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে তিনি ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাপের মুখে অর্থ আদায় করতেন। কেউ প্রতিবাদ করলে “উপরে লাইন আছে”, “মন্ত্রী পরিবারের লোক”—এমন বক্তব্য দিয়ে হুমকি দেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের আমলে রেলমন্ত্রীর বউয়ের ভাগিনা পরিচয়ে যে প্রভাব খাটাতেন এবং তিনি সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরি করেছিলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তা টিকিয়ে রাখতে তিনি এখন বিএনপির ছাত্রছায়ায় সক্রিয় হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, যাত্রাবাড়ীর এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক (চাচাতো শ্বশুর) ব্যবহার করে নতুন করে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন তিনি। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাজনৈতিক ব্যানার বদলালেও জুয়েলের কর্মকাণ্ডের ধরন বদলায়নি— চাঁদাবাজি, ভয় দেখানো ও অপসাংবাদিকতার অভিযোগ আগের মতোই রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে চাঁদাবাজির অভিযোগে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ রাশেদ রেজা জুয়েলকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের মাধ্যমে তিনি প্রায় তিন মাস কারাভোগ করেন। তবে কারামুক্তির পর ফের একই ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—একজন ব্যক্তি বারবার চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পরও কীভাবে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন?
সচেতন মহলের মতে, ভুয়া সাংবাদিকতার কার্ড ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীবাহীনি নিয়ে হয়রানি শুধু ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, এটি প্রকৃত সাংবাদিকতা পেশার ভাবমূর্তিকেও ক্ষুণ্ন করছে। তারা দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত, ভুয়া সাংবাদিক পরিচয় যাচাই এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। জুলাই আন্দলন এর পরে নিজেকে যাত্রাবাড়ি যুবদলের নেতা হিসাবে পরিচয় দেয় এবং বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি করেন না দিলে আওমীলীগের ভয় দেখিয়ে মামলার হুমকি দেন।
এই বিষয়ে রাশেদ রেজা জুয়েলের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category