
স্টাফ রিপোর্টার:
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ১৭ নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা হেলালের বিরুদ্ধে ভুয়া স্ট্যাম্প করে জমির মাটি বিক্রিও জবর দখল এর অভিযোগ পাওয়া যায়।ভূমিদস্যু হেলাল ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে। প্রশাসন কে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে একের পর এক অন্যায় অপরাধ করে যাচ্ছে। এই হেলাল জাকের পার্টির নাম করে করে, সালিশ বানিজ্য, ও জাকের পার্টির অফিসের নাম করে গন আদালত বসিয়ে চাঁদা বাজি ও সালিশ বানিজ্য করে যাচ্ছে।
দিনের পর দিন চলে জমজমাট জোয়ার আসর, ওসির নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা দাবি করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। অন্য দিকে মমিন উল্লাহ মেস্তুরী বলেন হেলাল আমার প্রতিবেশী হওয়ায় আমি তার অফিসে গিয়ে মাটি বিক্রয়ের কথা বলি, কিন্তুু তাঁর সাথে কথা বনিবনা হয়নি বলে আমি তার কাছে মাটি বিক্রি করিনি। পরে আমি তার অফিস হতে বের হয়ে চলে আসি। পরবর্তী বিগত ঘটনার দিন ও সময়ে হেলাল জোর পুর্বক বেকু মেশিন দিয়া আমার জমির মাটি কাটিয়া নিয়ে যায়। আমি সেখানে বাঁধা দিতে গেলে তাঁরা আমার ছেলে ও আমার উপর চওড়া হয়। আমাকে ও আমার ছেলে কে মারধর করে।
পরে আমি ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মাটি কাটা বন্ধ করে দেয়।
আমি তার অফিসে যাই তাকে বলি আপনার সাথে আমার মাটি বিক্রয়ের কোনো সিদ্ধান্ত হয় নাই। আপনি কেন জোর পুর্বক আমার জমি হইতে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছেন।এ নিয়ে তার সাথে কথা কাটাকাটি পর , হেলাল জোর পুর্বক ভাবে তাঁর অফিস কক্ষে আমাকে আটক করে ৩০০ টাকার ৩ সেট নন জুডিসিয়াল স্টাম্পে স্বাক্ষর করে নেয়।
মমিন উল্লাহ মেস্তুরী বলেন আমি যথা সময়ে উক্ত স্টাম্প গুলির নাম্বার সংগ্রহ করিতে না পারায় কোন ব্যবস্থা নিতে পারিনি।
পরবর্তী নিজস্ব লোকের মারফতে সংগ্রহ ক্রমে যথা গঘ ৪২০ ৬৩১৬, গঘ,৪২০৬৩১৫, গঘ৪২০৬৩১৭,গঘ,১৬৫৫১১৬, গঘ,৪১৬৫৫৯৯, গঘ,৪১৬৫৬০০,ও ৩য়,সেটের খগ,১৫৬৩ ৭৯৩,ও বাকি দুইটি সিরিয়াল নাম্বার সংগ্রহ করিতে পারিনি।
বর্তমান হেলাল ও তার বাহিনীর লোকজন উক্ত স্টাম্প গুলি দিয়ে আমাকে মামলা মোকাদ্দমা দিয়া হয়রানি করার হুমকি ধামকী দিয়ে যাচ্ছে। উক্ত স্টাম্প গুলি বর্তমানে হেলাল এর হেফাজতে সংরক্ষিত আছে এমতা অবস্থায় উক্ত স্টাম্প গুলি উদ্ধার করা একান্ত অবশ্য।
মুমিন উল্লাহ বলেন হেলাল আমাকে প্রান নাশের হুমকি দিচ্ছে, চন্দ্র গন্জ এ নাকি তাঁর বাহিনী আছে তাদের কে বললে তারা আমাকে হত্যা করবে। আমি বর্তমান এ হেলাল এর ভয়ে আতংকিত থাকি।
গত বছর এর ৫ ই আগষ্ট সরকার পরিবর্তন হলে হেলাল ও তার বাহিনীর লোকজন বেপরোয়া হয়ে যায়।
আমি এ বিষয়ে আইনত ব্যবস্থা নিয়েছি আদালতে আমি একটি পিটিশন মামলা করি। মামলা ২২৭/ ২৫,ইং আমি আদালতের রায় কে সন্মান জানাই আদালত যে রায় দিবে আমি তা মাথা পেতে নিবো।
প্রশাসন এর নিকট আমার একটাই অনুরোধ আদালতে মামলা চলাকালীন সময়ে যেন হেলাল ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনী এ জমিতে কোন কিছু করতে না পারে।
এ ছাড়া উক্ত স্টাম্প গুলি হেলালের অফিস নামক স্থান ভবানীগন্জ ইউনিয়ন এর চর মনসা সাকিনের মিয়ার বেড়ী হায়দার গন্জ বাজারের উত্তর পূর্ব পাশের অফিস নামক গন আদালত হিসাবে সকলে চিনে উক্ত স্থান এ তল্লাশি করা হয়।