| ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি October 16, 2026, 5:20 pm
Title :
বেনাপোল বন্দরে একসেস প্রকল্পের ইআইএ প্রস্তুতিতে গণশুনানি ও জনমত যাচাই সভা অনুষ্ঠিত আইন মানার মানসিকতা গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ, বনানী বিদ্যানিকেতনে বিআরটিএর উদ্যোগ কক্সবাজার পাহাড়তলীতে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার দিনাজপুর বীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন রাজশাহীতে তরুণীর ভিডিও ফাঁসের ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি, আটক কথিত সাংবাদিক কাচু সুপ্ত প্রতিভা ও ঐতিহ্য বিকাশের অঙ্গীকারে ব্লুমিং সান স্কুলে শরৎ উৎসব নরসিংদীর শিবপুরে ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর লাইসেন্স না থাকায় ৫০হাজার টাকা অর্থদন্ড দূর্গাপূজায় টানা ৮দিন বন্ধ থাকবে বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি দিনাজপুর বীরগঞ্জ সরকারি কলেজের মেইন গেটের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু_এমপি. দিনাজপুর বীরগঞ্জে প্রভাব বিস্তার করে অসহায় ভ্যান চালকের বসতবাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়ে উচ্ছেদ করে সেখানে পুকুর খনন

লামা উপজেলা পরিষদের ইজারার রাজস্বের বকেয়া অর্থ না দেওয়ায় থমকে আছে উন্নয়ন কাজ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, জানুয়ারি ২১, ২০২৬
  • 198 Time View
১৪৩

মুহাম্মদ এমরান
লামা-বান্দরবান

পার্বত্য বান্দরবানের ৭টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভার মধ্যে লামা হচ্ছে সবচেয়ে বৃহৎ ও জনবহুল উপজেলা। উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ সংস্থান না থাকায় এ উপজেলায় অনেক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেনা। এর মধ্যে ইজারার প্রাপ্ত অর্থ বকেয়া থাকায় আরো দূর অবস্থার মধ্যে পড়েছে পরিষদটি।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উপজেলায় ৭টি টোল পয়েন্ট ও ৪টি হাট-বাজার ইজারা দেয়। ইজারার প্রাপ্ত রাজস্বের অর্থ থেকে সরকারী বিধি মোতাবেক লামা উপজেলা পরিষদ পায় ৬১ লাখ ৩১ হাজার ০৮ শত ৮০ টাকা। অর্থ সংকটে থাকা লামা উপজেলা পরিষদের পক্ষে থেকে অফিসিয়াল নিয়মে বকেয়া টাকা দিয়ে দেওয়ার জন্য বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদকে বার বার অবগত করে চিঠি দেওয়া সত্বেও টাকা দিচ্ছেনা বলে জানান লামা উপজেলা পরিষদের দায়িত্বরত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন।তিনি এই বিষয়ে গত ১৯ জানুয়ারী সাংবাদিকদের জানান, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে লামা উপজেলার উল্লেখিত: হাট-বাজার ও টোল পয়েন্ট ইজারাকৃত অর্থ হইতে লামা উপজেলা পরিষদে প্রাপ্য রাজস্বের অংশ সম্পূর্ণরুপে প্রেরণ করা হয় নাই। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক গত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে লামা উপজেলায় ৭টি টোল পয়েন্ট ও ৪টি হাট-বাজার ইজারা দেয়। ইজারার প্রাপ্ত অর্থ থেকে সরকারী বিধি মোতাবেক লামা উপজেলা পরিষদ পায় ৬১লাখ ৩১হাজার ৮শত ৮০ টাকা।

আমাদের প্রাপ্ত রাজস্ব থেকে জেলা পরিষদ গত লামা উপজেলা পরিষদের নামের ইস্যুকৃত চেক নং- ১০০৭২৭৫৬৩৪ মূলে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ২৪লাখ ৩৭হাজার ৬শত ৫০টাকা প্রেরণ করে। উপজেলা পরিষদ এখনো পাওনা রয়েছে ৩৬ লাখ ৯৪হাজার ২শত ৩০টাকা। লামায় যে সব টোল পয়েন্ট ইজারা দেওয়া হয় তা হচ্ছে, আজিজনগর-গজালিয়া রাস্তার মাথা সড়ক (বান্দরবান সীমানা) সীমানা)- ৪০১,০০০/-, ফাঁসিয়াখালী রাজাপাড়া রাঙা সড়ক (বান্দরবান ইয়াংছা খালের মুখ নদীপথ (বান্দরবান সীমানা)- ১,২১,০০০/-, ফাঁসিয়াখালী রাজাপাড়া রাঙা সড়ক (বান্দরবান ইয়াংছা খালের মুখ নদীপথ (বান্দরবান সীমানা)-১,২১,০০০/-আলীকদম- ফাঁসিয়াখালী সড়কে কুমারী কভার সংলগ্ন সড়ক পথ (বান্দরবান সীমানা) ৪৬,২৪,০০০/-, ১২,২০,০০০/-, ৫৭,৭৩,৬৮০/-, ফাইতং এলাকাধীন বানিয়ারছড়া সংলগ্ন সড়ক পথ ও সোনাছড়ি গস নদী পা (বান্দরাম সীমানা সরই ইউনিয়নস্থ হাছনাভিটা কর্ণবিট অফিস সংলগ্ন সড়ক পথ (বান্দরবান সীমানা)-৬০,০০,০০০/-, সরই ইউনিয়নস্থ পূর্বচাম্বি মুসলিম বাজার সংলগ্ন সড়ক ও নদীপথ (বান্দরবান) ১৭,৮০,০০০/-, ১,১০,০০০/- মোট= ১,৪২,৫৬,০০০/-এবং ইজরাকৃত হাট-বাজার এর নামঃ লামা বাজার, গজালিয়া বাজার, চাম্বি মফিজ বাজার, ডলুছড়ি বাজার, মোট ইজারাকৃত অর্থ ১৮,৪০,০০০/-।

এ বিষয়ে ইউএনও মো. মঈন উদ্দিন আরও জানান, সরকারী বিধি মোতাবেক ইজারায় প্রাপ্ত অর্থের ১০০ টাকার ১০ টাকা পায় আঞ্চলিক পরিষদ, বাকি ৯০ টাকার মধ্যে জেলা পরিষদ পাবে ৫৫ টাকা আর উপজেলা পরিষদ পাবে ৪৫ টাকা। এ ছাড়া পৌরসভার মধ্যে হলে, ১০০ টাকার মধ্যে পৌরসভা পাবে ৪০ টাকা, বাজার ফান্ড পাবে ৪০ টাকা আর বাকি ২০ টাকা পাবে উপজেলা পরিষদ। অর্থ সংকটে থাকা লামা উপজেলা পরিষদের পক্ষে থেকে অফিসিয়াল নিয়মে বকেয়া টাকা দিয়ে দেওয়ার জন্য বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদকে বার বার অবগত করা সত্বেও বান্দরবান জেলা পরিষদ টাকা দিচ্ছেনা। এ কারণে পরিষদ চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category