| ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২৭শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি April 15, 2026, 8:52 am
Title :
পূর্বাচলে চাঁদাবাজির কেন্দ্রবিন্দু শ্যামল ভূঁইয়া, ব্যবহার হচ্ছে বিএনপির নাম বহিষ্কারের পরও স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচয়ে নববর্ষ শুভেচ্ছা প্রচারণা, রাজশাহীতে বিতর্ক সঠিক পথে থাকলে সফলতা আসবেই উদীয়মান উদ্যোক্তা ই-টপ ম্যাট্রেসর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাঈম সজল!  রাজনীতির অগ্নিপরীক্ষায় থমকে গেছে শিক্ষা জীবন তবুও রাজপথ ছাড়েননি ছাত্রদল নেতা রাজিব হোসেন পাশা সাম্রাজ্যবাদী মার্কিনী- ইহুদিদের পণ্য বর্জন করুন মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান অনুমোদন বিহীন লেভেলিং ও অসাস্থ্যকর পরিবেশে প্যাকেজিং এর বিরুদ্ধে র‍্যাব-৭ এর বিশেষ অভিযান বাকেরগঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূলের পছন্দ অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে গোলাম মাওলা শাহীন বরিশালের বাকেরগঞ্জে হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক: অভিযান আছে, নেই প্রতিকার! মাধবখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসতে চান পরিশ্রমী ছাত্রনেতা বিল্লাল হোসেন!

ফতেহপুর বাজারের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বেলাল মেম্বার এর দশ লক্ষ টাকার মালামাল লুট দোকান ঘর দখল

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৫
  • 233 Time View

জেলা প্রতিনিধিঃ- লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ৮ নং করপাড়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার মোঃ বেলাল হোসেনের ১০ লক্ষ টাকার মালামালুট ও দোকানঘর দখল করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়, মুক্তার ও ফিরোজ গং এর বিরুদ্ধে।৮ নং করপাড়া ইউনিয়নের দুই দুইবারের মেম্বার মোহাম্মদ বেলাল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান পশ্চিম করপাড়া ইউনিয়নের ফতে পুর বাজারে আমার একটি সার ইউরিয়া ইউরিয়া ও কীটনাশকে র দোকান ছিল।

গত ৫ই আগষ্ট পর দেশের বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতার কারনে আমি এলাকার বাহিরে চলে যাই।আমি করপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নং ওয়ার্ড এর দুই বারের নির্বাচিত মেম্বার। আজ থেকে চার বছর আগে আমি ফতেহপুর ব্রীজ সংলগ্ন খাল রাস্তার পাশে দোকান করতে গেলে মুক্তার ও ফিরোজ তাদের জায়গা আছে বলে আমাকে বাঁধা দেয়।

পরে উক্ত বিষয়ে রামগন্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্ম কর্তা ইমদাদুল হক এর মাধ্যমে এক লক্ষ টাকা আমার কাছ থেকে বুঝিয়ে নেয় মুক্তার ও ফিরোজ। অথচ চার বছর পরে তাঁরা নিজেদের কে জামায়াত শিবির কর্মী দাবি করে আমার দোকানের দশ লক্ষ টাকার মালামাল লুট ও দোকান ঘর দখল করে নেয়,আমার, দোকানের শোকেজ,রেক,ইষ্টিলের আলমারি,সিসি ক্যামেরা, টেবিল,চেয়ার,ফ্যান,সার ইউরিয়া,সব লুট করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোক্তার এর সাথে কথা বললে সেতাস্বীকার করে বলে এটা তার নানার বাড়ির সম্পত্তি। তাই আমি দোকান ঘরটি আমার দখলে নিয়ে নি।সাংবাদিকরা তার কাছে দালিলিক প্রমাণ চাইলে সে তা দেখাতে ব্যর্থ হয়। স্হানীয়দের সাথে কথা বললে তারা বলেন আমরা জানি এ দোকান ঘর বেল্লাল মেম্বার এর কিন্তু এখন শুনি মুক্তার ও ফিরোজ এর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক ব্যক্তি বলেন তখন এ দোকান ঘরটি বেল্লাল মেম্বার নিজ খরছে করেন। রাস্তার পাশে ও খাল পাড়ে হওয়ায় তখন বেল্লাল মেম্বার এর বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা নিউজ করে।
উক্ত বিষয়ে বেল্লাল মেম্বার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিকে জানান এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category