| ৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি September 20, 2026, 9:44 am
Title :
শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক গবেষণানির্ভর শিক্ষাঙ্গন গড়াই প্রধান লক্ষ্য:—অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। বেনাপোলে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৯ জনকে আটক ও কারাদন্ড দিয়ে কারাগারে। যশোরের ৮ উপজেলায় ইউপি নির্বাচন প্রস্তুতি ঘিরে ৫৪ ভোটকেন্দ্রে পরিবর্তন মাদকবিরোধী অভিযানে যশোরে ৪ হাজার ৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ যশোর শার্শায় ফেনসিডিল মামলায় পাকশিয়ার স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন এতিম শিশুদের স্বপ্নের ঠিকানা বৈদ্যপাশায়, দারুল আরকামে শিক্ষার আলোয় বদলাচ্ছে এতিম শিশুদের জীবন! দিনাজপুর বীরগঞ্জে মরহুম বজলুর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬ লক্কর জক্কর বিচার ব্যাবস্থা আসলে কোনো কাজেই আসছে না। চুরি ডাকাতির ভয়ে ঘুম নেই সাধারণ মানুষের অথচ পুলিশ ঠিকয় ঘুমায়

জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও চক্রান্তমূলক

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, মে ১, ২০২৬
  • 104 Time View
২০০

মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব স্বপন তালুকদারের বিরুদ্ধে ওঠা জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সুপরিকল্পিত চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত সচিব। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর কামরুল হাসান মিটুর দেওয়া অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি।

সচিব স্বপন তালুকদার জানান, ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা শাহানুর মিয়ার জন্ম নিবন্ধনটি ছিল মূলত একটি সংশোধনী আবেদন। কুলঞ্জ ইউনিয়নটি একটি দুর্গম এলাকা হওয়ায় আবেদনকারী নিজেই যাতায়াত খরচ ও সময়ের কথা বিবেচনা করে সচিবকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। শাহানুর মিয়া সচিবকে বলেছিলেন যে, দিরাই সদরে গিয়ে কাজ করালে তার যে যাতায়াত খরচ হতো, সেই টাকা তিনি সচিবকে গাড়ি ভাড়া বাবদ দিয়ে দেবেন এবং সচিব যেন দিরাই থেকে নিবন্ধনটি সংশোধন করিয়ে আনেন।

সচিবের দাবি অনুযায়ী, তিনি মানবিক কারণে এবং সেবার সুবিধার্থে নিজের প্রচেষ্টায় দিরাই থেকে নিবন্ধনটি সংশোধন ও অনুমোদন করিয়ে আনেন। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার পর শাহানুর মিয়া তাকে সরকারি ফি টুকুও প্রদান করেননি। উল্টো তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক সচিবের কাছ থেকে সংশোধিত নিবন্ধন সনদটি ছিনিয়ে নিয়ে যান।

সচিব স্বপন তালুকদার আরও অভিযোগ করেন, পুরো বিষয়টি ছিল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার একটি কৌশল। নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কাজ করে দেওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে অনলাইনে নিউজ প্রকাশ এবং ইউএনও বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি একে তার পেশাগত সততার ওপর আঘাত এবং হয়রানিমূলক আচরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, এর আগে কামরুল হাসান মিটু স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে সচিবের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায়ের লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

তবে সচিবের দাবি, নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো কেবল ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন যাতে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category