
গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হরতকিতলা এলাকায় সরকারি বনভূমিতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার ময়লা ফেলার কারণে সেখানে বড় ময়লার স্তূপ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ‘বেলাল মসজিদ’ নামে একটি টিনের ঘর নির্মাণ করে বনভূমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের মূল সড়কের পাশে বনভূমিতে ময়লার স্তূপ পড়ে রয়েছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি পথচারী, শিক্ষার্থী ও পোশাকশ্রমিকদের দুর্ভোগ হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান। ময়লার কারণে সড়ক সংকুচিত হয়ে যান চলাচলেও সমস্যা হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন সকালে পৌরসভার কয়েকটি ময়লাবাহী ট্রাক সেখানে বর্জ্য ফেলে। তারা দ্রুত ময়লা অপসারণ ও বনভূমি উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথাও জানান তারা।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, সরেজমিনে গিয়ে আমার দেখতে হবে যদি বনের কোন জমি হয় তাহলে উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হবে। সরকারি বনভূমি দখল, গাছ কাটা ও ক্ষতিকরভাবে বর্জ্য ফেলা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা বলেন, ওই এলাকায় আপাতত ময়লা ফেলা বন্ধ করা হয়েছে। বনভূমি দখলের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দখল হয়ে থাকলে জমি উদ্ধার করে পুনরায় বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্থানীয় ইমাম বলেন,মসজিদ নির্মাণের জন্য বৈধ জমি প্রয়োজন। মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে কিংবা বনভূমি কেটে মসজিদ নির্মাণ করা উচিত নয়।”
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত ময়লার স্তূপ অপসারণ, বনভূমি উদ্ধার ও পুনরায় বনায়ন এবং পৌরসভার জন্য নির্দিষ্ট ও পরিবেশসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।