| ৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |১১ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি September 22, 2026, 12:23 pm
Title :
আত্মপ্রকাশ করল ছিলোনিয়া হাই স্কুল অ্যালামনাই কমিটি শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক গবেষণানির্ভর শিক্ষাঙ্গন গড়াই প্রধান লক্ষ্য:—অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। বেনাপোলে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৯ জনকে আটক ও কারাদন্ড দিয়ে কারাগারে। যশোরের ৮ উপজেলায় ইউপি নির্বাচন প্রস্তুতি ঘিরে ৫৪ ভোটকেন্দ্রে পরিবর্তন মাদকবিরোধী অভিযানে যশোরে ৪ হাজার ৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ যশোর শার্শায় ফেনসিডিল মামলায় পাকশিয়ার স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন এতিম শিশুদের স্বপ্নের ঠিকানা বৈদ্যপাশায়, দারুল আরকামে শিক্ষার আলোয় বদলাচ্ছে এতিম শিশুদের জীবন! দিনাজপুর বীরগঞ্জে মরহুম বজলুর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬ লক্কর জক্কর বিচার ব্যাবস্থা আসলে কোনো কাজেই আসছে না।

চন্দ্রগঞ্জ থানা মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান: একাধিক স্থানে তল্লাশি, মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার’ ও গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, জুলাই ২৯, ২০২৬
  • 59 Time View
১১৫

স্টাফ রিপোর্টার:

চন্দ্রগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ এর মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উন্নয়নমূলক দিগনির্দেশনা দেওয়ার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দিয়েছিলেন কর্মকর্তারা ধারাবাহিক অনু যায় চন্দ্রগঞ্জ থানার অধীনে প্রতিটা ইউনিয়ন বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্য একটি কথা বলব আপনারা দ্রুত মাদক সম্রাটের বিরুদ্ধে তথ্য প্রকাশ করবে আপনাদের তথ্য গোপন থাকবে।

সাধারণ মানুষের শান্তি-শৃঙ্খলা বসবাস করতে পারবেন মাদক সন্ত্রাস চাঁদাবাজি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সব সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর থাকবে।

মাদক ব্যবসায়ী যত বড় ক্ষমতাশীল ব্যক্তি হোক না কেন কাউকে চায় দেওয়া হবে না মাদক নির্মাণ করার জন্য আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাব জনগণের সবাই সব সময় নিয়োজিত থাকবো।

সাধারণ মানুষের কাছে শুধু একটি অনুসন্ধান রিপোর্ট চাই কারা কারা বাদকরে সম্রাটের সাথে জড়িত তাদের তালিকা দিবেন। সঠিক তথ্য দিয়ে অপরাধীদেরকে আইনের হাতে তুলে দিবেন আপনাদের তথ্য গোপন থাকবে।

লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের উদ্যোগে মাদকের বিস্তার রোধ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অপরাধ দমনের লক্ষ্যে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

গত ২৮ জুলাই ২০২৬তারিখে চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর নেতৃত্বে থানাধীন মটবীগ্রাম এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে মাদকসংক্রান্ত অভিযোগে পরিপ্রেক্ষি তে এলাকার কয়েকটি স্থানে একযোগে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানের সময় ফারুক,আবুল বাশার,সুজন,সাদ্দাম,রাকিব, কবির,কাদের,আনু তালেব,জোবায়ের,আরিফ,ওয়াজকরুনী, সাইমন,রানা,মিঠুন,
কাউসার, মিলন, সবুজসহ আরও কয়েকজনের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।এ সময় মাদক সেবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানা অফিসার, মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতির অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন এবং মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে পুলিশ নিয়মিত নজরদারি, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মাদক উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ, বিক্রয়, বহন ও সেবন—সবই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কোনো ব্যক্তি মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন,মাদক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি,যা যুবসমাজ কে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয় এবং পরিবার ও সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। তাই শুধু প্রশাসনের একক প্রচেষ্টা নয়, মাদক নির্মূলে অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা এবং সর্বস্তরের জনগণকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদকের ভয়াবহতা থেকে নতুন প্রজন্মকে রক্ষা করতে পরিবারে সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং সন্দেহজনক মাদক কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা অত্যন্ত জরুরি।

চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ সকল নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা অপরিহার্য। যে কোনো ধরনের মাদক ব্যবসা, সেবন বা সংশ্লিষ্ট অপরাধের তথ্য নিকটস্থ থানায় বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়ে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, এই অভিযানে যেসব ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইনগতভাবে তারা নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই চূড়ান্ত দায়-দায়িত্ব নির্ধারিত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category