
সংরক্ষিত নারী আসনে অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা কে দেখতে চাই…
ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের পর সংরক্ষিত নারী আসন–২৩ এখন শূন্য। এই আসনকে ঘিরে অনেক নেত্রীর নামই আলোচনায় আসছে। তবে আজ একজন নেত্রীর কথা আলাদাভাবে বলতে চাই—মহিলা দলের উজ্জ্বল নক্ষত্র, অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা।
অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সভানেত্রী। মায়ের মমতা ও বটবৃক্ষের ছায়ার মতো তিনি ঢাকা মহানগর উত্তরের ২৬টি থানার মহিলা দলের নেত্রী-কর্মীদের আগলে রেখেছেন, তাদের পাশে থেকেছেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর পথ তাঁর জন্য মোটেও সহজ ছিল না। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় নানা প্রতিকূলতা, নির্যাতন, জেল ও নিপীড়নের মধ্য দিয়েও তিনি রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে নিজেকে কখনো সরিয়ে নেননি। সেই একমাত্র বিএনপি নারী নেত্রী যাকে ফ্যাসিস্ট এর সময় গুরুতর ভাবে মাথায় আঘাত করা হয়। তার লাইফ রিস্ক ছিলো। তবুও সে কখনো দমে জান নাই।
ব্যক্তিগত জীবনেও কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। স্বামীকে হারানোর অল্প কিছুদিনের মধ্যে শোক সামলানোর আগেই দলের দায়িত্বে ফিরতে হয়েছে। দলীয় দায়িত্ব থেকে নিজেকে দূরে রাখেননি। ইদ্দত শেষ হবার আগেই প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ডাকে দল ও দেশের প্রয়োজনে রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন।
২০২৫ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ঢাকা উত্তরের বিভিন্ন এলাকায় তিনি নিরলসভাবে কাজ করেছেন। সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন না পাওয়ার পরও তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে কোনো ভাটা পড়েনি। বরং আরও উদ্যমের সঙ্গে মহিলা দলের নেত্রী-কর্মীদের সংগঠিত করেছেন, তাদের পাশে থেকেছেন এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার জন্য নতুন নেতৃত্ব খুঁজে বের করেছেন।
নিজে নেতা হওয়া সহজ, কিন্তু নেতৃত্ব তৈরি করা কঠিন।
অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা শুধু একজন নেত্রী নন—তিনি একজন নেতৃত্ব তৈরির কারিগর।
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন না পেয়েও দলের প্রতি তাঁর যে অবিচল আনুগত্য, দায়িত্ববোধ ও কর্মনিষ্ঠা আমরা দেখেছি, তা মহিলা দলের নেত্রী-কর্মীদের জন্য নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার। তিনি সবসময় বলেন —“দল ভালো জানে, কাকে কখন কাজে লাগাতে হয়।”
ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সকল নেত্রী – কর্মীরা “অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা আপাকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান।”
নেতাকর্মীদের কথা অনুসারে এডভোকেট রুনা লায়লা যেহেতু ২৬ টা থানার প্রতিটা ইউনিটের প্রতিটা কর্মী নেত্রীদের সম্পর্কে অবগত তাই তৃণমূল মহিলা দলকে ঢেলে সাজানোর জন্য এবং মহানগর উত্তর মহিলা দলের প্রতিনিধি হিসেবে তাকে এমপি হিসেবে সংসদে অবশ্যই জায়গা দেয়া উচিত।
সবার বিশ্বাস, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ, কর্মীদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং দলকে শক্তিশালী করার যে নিরলস প্রচেষ্টা, অ্যাডভোকেট রুনা লায়লার তার বিকল্প অন্য কেউ নেই।
অ্যাডভোকেট রুনা লায়লার জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।
ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সকল নেত্রী – কর্মীরা “অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা আপাকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান।”
নেতাকর্মীদের কথা অনুসারে এডভোকেট রুনা লায়লা যেহেতু ২৬ টা থানার প্রতিটা ইউনিটের প্রতিটা কর্মী নেত্রীদের সম্পর্কে অবগত তাই তৃণমূল মহিলা দলকে ঢেলে সাজানোর জন্য এবং মহানগর উত্তর মহিলা দলের প্রতিনিধি হিসেবে তাকে এমপি হিসেবে সংসদে অবশ্যই জায়গা দেয়া উচিত।
সবার বিশ্বাস, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ, কর্মীদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং দলকে শক্তিশালী করার যে নিরলস প্রচেষ্টা, অ্যাডভোকেট রুনা লায়লার তার বিকল্প অন্য কেউ নেই।
অ্যাডভোকেট রুনা লায়লার জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।