| ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |৪ঠা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি April 21, 2026, 1:41 pm
Title :
মোবাইল সাংবাদিকতা নাকি ডিজিটাল হয়রানি? নওগাঁয় তিন বছরের শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী সহ অতিষ্ঠ বাকেরগঞ্জ বাসী!  চার মামলায় আত্মসমর্পণ: জামিনে মুক্ত আদম তমিজি শিক্ষার্থীশূন্য বিদ্যালয়: ৫ শিক্ষিকার বিপরীতে ছাত্র মাত্র ৪ জন, চরম সংকটে দক্ষিণ ভরপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পেশাগত দক্ষতা, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় সেরা প্রতিনিধি হলেন বরিশালের রিয়াজ শরীফ! জনগণের দাবিতেই সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে : রিজভী অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগ ! স্বপ্নভঙ্গ শোবিজ তারকাদের, সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পাননি কেউ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর চূড়ান্ত ঘোষণা সোমবার, তালিকায় যারা

আজ মহাসপ্তমী বিহিত পূজা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৪
  • 289 Time View

জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি

আজ ১০ অক্টোবর মহাসপ্তমী। এই দিন থেকেই বিগ্রহকে পূজা করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার শারদীয় দূর্গা পূজার মহাসপ্তমী শুরু হয়েছে সকাল ৬টা ১০ মিনিট থেকে। এছাড়াও চন্ডী ও মন্ত্র পাটের মাধ্যমে পূজা, দেবি-দর্শন, দেবীর পায়ে ভক্তদের অঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে দিনব্যাপী চলবে আনুষ্ঠানিকতা। দেবী দুর্গার পাশে রাখা হয় কলা বউ।

মহাষষ্ঠীর দিনে বেলগাছ বা বেল শাখাকে পূজা করা হয়। দেবী দুর্গার বোধন ও অধিবাস প্রক্রিয়া চলে ষষ্ঠীতে। করা হয় চণ্ডীপাঠ। পরের দিন অর্থাৎ আজই মহাসপ্তমী। এই দিনে সেই বেল গাছের চিহ্নিত শাখা বা ডালকে নিয়ে আসা হয় বিগ্রহ আরাধনার স্থলে। তারপরে যাওয়া হয় কলা বউ স্নানে। কাসর, ঢাক, ঘণ্টা বাজিয়ে কলাবৌ স্নান করানো হয়। তারপরে পড়ানো হয় নতুন শাড়ি। ঘটে জলপূর্ণ করে কলা বউ এবং ঘট নিয়ে আসা হয় পূজা অর্চনা স্থলে। এই কলা বউ’ই দেবী দূর্গা। তাঁকে ‘গনেশ জননী’ বলা হয় বলে গণেশের ডানপাশে রাখা হয় কলা বউ’কে। করা হয় ঘট প্রতিস্থাপন, চক্ষুদান ও প্রাণ প্রতিষ্ঠা।

হয় সপ্তম্যাদী কল্পারম্ভ এবং সপ্তমী বিহিত পূজা প্রশস্তা। উল্লেখ্য, ষষ্ঠীতে পূজিতা হন দেবী কাত্যায়নী। এক মতে, এই রূপ ধারণ করেই দেবী বধ করেছিলেন মহিষাসুরকে। আর সপ্তমীতে পূজিতা হন দেবী কালরাত্রি। কৃষ্ণবর্ণা এই দেবী দূর্গার উগ্র রূপ। এই রূপে দেবী বধ করেছিলেন শম্ভু এবং নিশুম্ভুকে।

প্রসঙ্গত কলাপাতার মধ্যে থাকে ৮টি পাতা। তাই কলা বউকে বলা হয় নবপত্রিকা। কলাপাতা সবচেয়ে বড় বলে, তার ভেতরেই রাখা হয় বাকি ৮টি পাতাকে। এই ৯টি পাতা আসলে দেবী দূর্গার ৯টি রূপ। বাকি ৮টি পাতা হলো – হলুদ, কচু, বেল, জয়ন্তী, অশোক, ডালিম, ধান এবং মান। আর সব পাতাকে বাঁধা হয় সাদা অপরাজিতার লতা দিয়ে।

কলাপাতা মানে দেবী ব্রাহ্মণী, হলুদ পাতা মানে দেবী উমা, কচুপাতা মানে দেবী কালিকা, বেলপাতা মানে দেবী শিবা, জয়ন্তী পাতা মানে দেবী কার্তিকী, অশোক পাতা মানে দেবী শোকরহিতা, ডালিম পাতা মানে দেবী রক্তদন্তিকা, ধান পাটা মানে দেবী লক্ষ্মী আর মানপাতা মানে দেবী চণ্ডিকা। গাছের বদলে পূজাস্থলে পাতা ও শীষ ব্যবহার করা হয়। স্বাস্ত্র অনুযায়ী বিভিন্ন গাছে প্রতিষ্ঠান করেন দেবী মহামায়ার বিভিন্ন রূপ। কারণ দেবী যে শাকম্ভরী। তিনি মানেই শস্যশ্যামলা। তাই মহাসপ্তমীতে শস্য ও ধন লাভের আশায় ভক্তিভরে পুস্পাঞ্জলীর মাধ্যমে সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী পূজা করে থাকেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category