| ২৫শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২৭শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি September 9, 2026, 4:13 pm
Title :
লামায় পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের ৩ দিনের নির্দেশ ইটভাটার মাটির জোগানে পাহাড় ধ্বংসের অভিযোগ, প্রশাসনের সঙ্গে মনিটরিং টিম মিরপুরে অনুমোদনহীন বেকারি কারখানার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, কাগজপত্র ও গ্যাস সংযোগ নিয়ে প্রশ্ন; জরুরি তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর পটুয়াখালী ভার্সিটির, ফিন্যান্স ক্লাবের উদ্বোধন ও নবীনবরণ। রায়পুরায় ৩টি হত্যাসহ ১০ মামলার আসামি হান্নান ও সন্ত্রাসী নুরুল ইসলাম গ্রেপ্তার বেগমগঞ্জে সহস্রাধিক ইয়াবা সহ মাদক কারবারি মাহফুজ গ্রেপ্তার নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, কাগজপত্র ও গ্যাস সংযোগ নিয়ে প্রশ্ন; জরুরি তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর কোম্পানীগঞ্জের নেশাখোর স্বামী কারাগারে গৃহবধূ আপন ঠিকানায় বিদেশি ঋণ শোধে রেকর্ড, ৫ মাসে পরিশোধ ২০৪ কোটি ডলার লক্ষীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক ছেলে কায়েস আহত উন্নত চিকিৎসার জন্য পঙ্গ হাসপাতালে প্রেরণ করেন পাদ্রী শিবপুর ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী মো:দুলাল হাওলাদার এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন

আজ মহাসপ্তমী বিহিত পূজা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৪
  • 330 Time View
৮৫

জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি

আজ ১০ অক্টোবর মহাসপ্তমী। এই দিন থেকেই বিগ্রহকে পূজা করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার শারদীয় দূর্গা পূজার মহাসপ্তমী শুরু হয়েছে সকাল ৬টা ১০ মিনিট থেকে। এছাড়াও চন্ডী ও মন্ত্র পাটের মাধ্যমে পূজা, দেবি-দর্শন, দেবীর পায়ে ভক্তদের অঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে দিনব্যাপী চলবে আনুষ্ঠানিকতা। দেবী দুর্গার পাশে রাখা হয় কলা বউ।

মহাষষ্ঠীর দিনে বেলগাছ বা বেল শাখাকে পূজা করা হয়। দেবী দুর্গার বোধন ও অধিবাস প্রক্রিয়া চলে ষষ্ঠীতে। করা হয় চণ্ডীপাঠ। পরের দিন অর্থাৎ আজই মহাসপ্তমী। এই দিনে সেই বেল গাছের চিহ্নিত শাখা বা ডালকে নিয়ে আসা হয় বিগ্রহ আরাধনার স্থলে। তারপরে যাওয়া হয় কলা বউ স্নানে। কাসর, ঢাক, ঘণ্টা বাজিয়ে কলাবৌ স্নান করানো হয়। তারপরে পড়ানো হয় নতুন শাড়ি। ঘটে জলপূর্ণ করে কলা বউ এবং ঘট নিয়ে আসা হয় পূজা অর্চনা স্থলে। এই কলা বউ’ই দেবী দূর্গা। তাঁকে ‘গনেশ জননী’ বলা হয় বলে গণেশের ডানপাশে রাখা হয় কলা বউ’কে। করা হয় ঘট প্রতিস্থাপন, চক্ষুদান ও প্রাণ প্রতিষ্ঠা।

হয় সপ্তম্যাদী কল্পারম্ভ এবং সপ্তমী বিহিত পূজা প্রশস্তা। উল্লেখ্য, ষষ্ঠীতে পূজিতা হন দেবী কাত্যায়নী। এক মতে, এই রূপ ধারণ করেই দেবী বধ করেছিলেন মহিষাসুরকে। আর সপ্তমীতে পূজিতা হন দেবী কালরাত্রি। কৃষ্ণবর্ণা এই দেবী দূর্গার উগ্র রূপ। এই রূপে দেবী বধ করেছিলেন শম্ভু এবং নিশুম্ভুকে।

প্রসঙ্গত কলাপাতার মধ্যে থাকে ৮টি পাতা। তাই কলা বউকে বলা হয় নবপত্রিকা। কলাপাতা সবচেয়ে বড় বলে, তার ভেতরেই রাখা হয় বাকি ৮টি পাতাকে। এই ৯টি পাতা আসলে দেবী দূর্গার ৯টি রূপ। বাকি ৮টি পাতা হলো – হলুদ, কচু, বেল, জয়ন্তী, অশোক, ডালিম, ধান এবং মান। আর সব পাতাকে বাঁধা হয় সাদা অপরাজিতার লতা দিয়ে।

কলাপাতা মানে দেবী ব্রাহ্মণী, হলুদ পাতা মানে দেবী উমা, কচুপাতা মানে দেবী কালিকা, বেলপাতা মানে দেবী শিবা, জয়ন্তী পাতা মানে দেবী কার্তিকী, অশোক পাতা মানে দেবী শোকরহিতা, ডালিম পাতা মানে দেবী রক্তদন্তিকা, ধান পাটা মানে দেবী লক্ষ্মী আর মানপাতা মানে দেবী চণ্ডিকা। গাছের বদলে পূজাস্থলে পাতা ও শীষ ব্যবহার করা হয়। স্বাস্ত্র অনুযায়ী বিভিন্ন গাছে প্রতিষ্ঠান করেন দেবী মহামায়ার বিভিন্ন রূপ। কারণ দেবী যে শাকম্ভরী। তিনি মানেই শস্যশ্যামলা। তাই মহাসপ্তমীতে শস্য ও ধন লাভের আশায় ভক্তিভরে পুস্পাঞ্জলীর মাধ্যমে সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী পূজা করে থাকেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category