
দাগনভূঞা প্রতিনিধি:আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না”— (বুখারী ও মুসলিম) এই হাদিস শরীফের বাণীকে ধারণ করে দাগনভূঞা উপজেলার ৪নং রামনগর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সেকান্দরপুর গ্রামে ঐতিহ্যবাহী কামু পাটোয়ারী বাড়ির বাৎসরিক মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি ২০২৫) দিনব্যাপী আয়োজিত এ মিলন মেলায় সকাল থেকেই বিভিন্ন বয়সভিত্তিক খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
শিশু থেকে শুরু করে প্রবীণ সদস্যদের অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি ছিল প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর।
খেলাধুলার ইভেন্টগুলোর মধ্যে ছিল—
৬ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য বেলুন ফুলানো,১১ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের জন্য বেলুন ফুলানো ও স্ট্যাম্পিং,১৬ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের জন্য স্ট্যাম্পিং,৩০ বছর ও তদূর্ধ্বদের জন্য বাস্কেট বল ও বালতি বল,ভাগ্নী-ভাতিজী, বোন-ফুফু, বাড়ির বউ-ভাবী ও জামাইদের জন্য পৃথকভাবে পিলো পাসিং ও বেলুন ফুলানোর আয়োজন।
সব প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে মোঃ নাছির উদ্দীনের সঞ্চালনায় ও মোঃ দলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মোঃ জাকির হোসেন, বোরহান উদ্দিন পলাশ, মোঃ শহীদুল্লা শিল্পী, আনোয়ার হোসেন আনু, নাজিম উদ্দীন, মহিন করিম, মোঃ রাশেদসহ অন্যান্যরা।
সভাপতির বক্তব্যে মোঃ দলিলুর রহমান বলেন, “এটি আমাদের পারিবারিক মিলন মেলা। ধর্মীয় রীতি ও পারিবারিক ঐতিহ্য বজায় রেখে আমরা এই আয়োজন করে থাকি। এটি আমাদের চতুর্থ মিলন মেলা। ফেনী জেলার মধ্যে আমরাই প্রথম এ ধরনের পারিবারিক মিলন মেলার আয়োজন করেছি।
আমাদের এই আয়োজন দেখে আশপাশের অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করলেও এটি সম্পূর্ণ পারিবারিক অনুষ্ঠান হওয়ায় কাউকে আমন্ত্রণ জানাতে পারি না।”
তিনি আরও বলেন, “এবারের মিলন মেলায় আমাদের বংশের প্রায় ৩০টি পরিবার অংশগ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।মিলন মেলাটি পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করা ও নতুন প্রজন্মকে আত্মীয়তার গুরুত্ব বোঝানোর ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে বলে উপস্থিত অতিথিরা মন্তব্য করেন।