
নিজস্ব প্রতিবেদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদের নতুন কমিটি নিয়ে সম্প্রতি নিয়ে চলচ্চিত্রপাড়ায় গুঞ্জন। সম্প্রতি একটি প্রচার মাধ্যমে সংবাদ চোখে পড়ল যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদ নামে একটি নতুন কমিটি প্রকাশ পেয়েছে। এই কমিটি দেখে রানিং কমিটি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চলচ্চিত্র পরিচালক হোসাইন আনোয়ারকে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হয়েছে কিন্তু উনার কাছ থেকে কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।কিন্তু কেন্দ্রীয় জাসাস কমিটির সদস্য জনাব তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া সায়মন তারিক জানিয়েছেন যে আমাদের এখনো রানিং কমিটি রয়েছে সেই কমিটিকে বাদ দিয়ে নতুনভাবে কিভাবে কমিটি হলো আমরা এখনো তা জানি না। যেহেতু একটি কমিটি থাকার পরে নতুন কমিটি আসতে হলে একটি মিটিং এর প্রয়োজন পড়ে সেই মিটিং এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। হঠাৎ করেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং কিছু অনলাইন পত্রিকায় নিউজ আসে তা দেখতে পেয়ে আমরা নিজেরাই হতবাক। কে বা কারা এই কমিটি করল কাদেরকে নিয়ে করল কেন করল আমরা তা জানি না। চলচ্চিত্রের সংশ্লিষ্ট কোন কাউকে আমরা সেখানে দেখিনি। যাদেরকে দেখেছি সেখানে অনেকেই গত ১৭ বছর ১৮ বছর আছিস সরকারের লিয়াজো মেনটেন করে চলার লোক। কোনদিনই তাদেরকে আমি বা আমরা আন্দোলনে দেখিনি। ৫ ই আগস্ট এর পরে অনেককেই মঞ্চের লাস্ট মাথায় লাফালাফি করতে দেখেছি। আমি এবং আমরা যারা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত তারা কেউই নব্য দালাল কমিটির অন্তর্ভুক্ত নয়। আমি তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
রানিং সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মহারাজ জানান যে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমি তা দেখেছি এবং কিছু অনলাইন পত্রিকায় নিউজ দেখেছি আমি হতবাক তবে মন খারাপ করার কিছু নেই যারা এই কমিটি করেছেন তারা আমাদের সাথে কোন সংশ্লিষ্ট নেই। এমনকি ১৭ বছর কোন আন্দোলন সংগ্রামে ও সংশ্লিষ্ট ছিল না।
চলচ্চিত্র অঙ্গনে যে কজন সরাসরি রাজনীতি করেছে তাদের মধ্যে ওই সংগঠনের কেউই নেই ওই সংগঠনে কেউই নেই আমি তার জোর গলায় বলতে পারি। যদি আমি নাম বলতে চাই তাহলে রাজনীতির মাঠে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলাম আমি , চলচ্চিত্র নির্মাতা সায়মন তারিক,সাজেদুর রহমান সাজু, হানিফ রেজা মিলন, নজরুল ইসলাম, পাংখা মনির, উজ্জল, আবুল কালাম আজাদ সহ অনেকে।উল্লেখ্য যে নাসির মিলন অনেক পরে বিএনপির রাজনীতির সাথে এফডিসি কেন্দ্রিক জড়িত হয়।
সিরাজ সাইদার সাহেব মৃত্যুর পরে হোসাইন আনোয়ার সিনিয়র সহ-সভাপতি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারপর কোন কমিটি হয়নি। উক্ত কমিটি এতদিন যাবত বিএফডিসিতে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম করে আসছিল।
কিন্তু হঠাৎ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি কমিটি আসলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদ।
এটা দুঃখজনক। আমরা কেউ জানলাম না কমিটি কিভাবে আসলো।
ইনশাআল্লাহ ঈদুল ফিতরের পর আমরা নতুন কমিটি দাঁড় করাবো এবং সাংবাদিক সম্মেলন করে সবার সম্মুখে উপস্থাপন করব সঠিক ইতিহাস।