
জাহিদুল ইসলাম :- বাকেরগঞ্জে উপজেলায় গারুড়িয়া ইউনিয়নের খয়রাবাদ বাজারে কোটি টাকা ব্যয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য করতে ইউনিয়ন পরিষদের পাশেই নির্মান করা হয় স্বাস্থ্য কেন্দ্র, দৈনিক গড়ে ৬০/৭০ জন এখানে চিকিৎসা সেবা নিতে আসলেও, এখানে লোকবল সংকটে প্রকৃত চিকিৎসা সেবা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
বেশ কয়েক বছর ধরে একজন ফার্মাসিষ্ট সামলাচ্ছে পুরো মেডিকেল সেবা কার্যক্রম। বাহিরে থেকে অত্যাধুনিক ভবন দেখা গেলে ও ভিতরের অবস্থা খুব শোচনীয়। এক রুমে জুড়ে ইউ পোকার পাহাড় রয়েছে বিষ ধর সাপের আনাগোনা। অযত্নে অবহেলায় পুরো মেডিকেল, এমনকি ফার্মাসিষ্ট শহিদুলের নিজের ব্যবহারিত চেম্বারে ও ধুলাবালু মাকড়সার বাসায় সয়লাব, ব্যহারিত বাথরুম কয়েক মাস ধরে অপরিষ্কার নোংরা অবস্থায় এমনকি রুগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিতে যে ট্রলিতে শুতে হয়,তাতে ধুলাবালুর আস্তরণ, সব মিলিয়ে পুরো ব্যাপারটা একটা রহস্যের আবারনে।
ফার্মাসিষ্ট শহিদুলকে বদলির আদেশ আসলে হঠাৎ করে স্থানীয় কিছু লোকজন তার বদলির আদেশ স্থাগিত করতে মানববন্ধন কর্মসূচি ও ইউএনও বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন। বিষয় টি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করতে বাংলাদেশ সমাচার প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। এসময় স্থানীয় লোকজন জানান মেডিকেলটি নামে মাত্র কয়েক বছর ধরে ঠিক মত কোনো সেবা পাওয়া যায় না। কোনো ডাঃ কে কখনো এখানে আসতে দেখা যায়নি। ফার্মাসিষ্ট শহিদুল নাম মাত্র সেবা দিতে আসলেও অধিকাংশ সময় সে বাজার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আড্ডায় সময় পার করে দায়িত্ব শেষ করে চলে যায়। বাস্তবে সাধারণ মানুষের তেমন কোনো উপকারে আসছে না মেডিকেলটি।
এ বিষয় সত্যতা নিশ্চিত করে গারুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাইয়ুম খান বলেন। সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি আসলে তেমন কোনো উপকারে আসছে না। সরকারি বরাদ্দ মনিটরিং করা কিবা সেবা কার্যক্রমে কারও নজরদারি না থাকায় ফার্মাসিষ্ট শহিদুলের খেয়াল খুশিতে চলছে মেডিকেল। ওখানে ৬/৭ টা রুমের ৪/৫ টি রুম কোনো কাজে লাগছে না কোনো কোনো রুম বিষাক্ত সাপ ও ইউপোকার দখলে। এমতবস্থায় পুরো মেডিকেলটি নিজেই রয়েছে দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রন্ত। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য দ্রুত জনবল নিয়োগ করে পুরো মেডিকেল সেবা জনগনের আওতায় আনতে ঢেলে সাজানো জরুরী। এ বিষয় ফার্মাসিষ্ট শহিদুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান সরকারি ভাবে বদলির আদেশ আসছে। এ মূহুর্তে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাইনা কতৃপক্ষের নির্দেশ বাস্তবায়নে আমি এতদিন চিকিৎসা সেবা চালিয়েছি, বিনামূল্যে ঔষধ সহ যা কিছু বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সেগুলো সাধারণ ভুক্তভোগীদের মাঝে বন্টন করা হয়েছে। একারপক্ষে সব কিছু সামলানো সম্ভব নয়।
সাধারণ মানুষের ভালোবাসার বন্ধনে আমি অবদ্ধ তারা আমাকে যেতে দিতে চায় নয় বলে কর্মসূচি পালন করেন। এ বিষয় আমার কোনো হাত নেই, কতৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মেনে আমি যে কোনো যায়গায় যেতে প্রস্তুত।