
মোঃ- সোহেল হাওলাদার- বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের পূর্ব সাদিশ আমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বৈষম্যমূলক চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে,বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে নিয়মিত তিনজন শিক্ষক থাকার পরেও অভিভাবক নিজেই পড়াচ্ছেন শিক্ষকের চেয়ারে বসে,যা বিদ্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায়,তিন শিক্ষক থাকলেও দুই শিক্ষককে পড়াতে দেখা যায় স্কুল বারান্দায়,প্রধান শিক্ষক নাছিমা বেগমকে বাহিরে ঘুরতে দেখা যায়,বিদ্যালয়ের শিক্ষক কার্যালয়ে দেখা যায় অভিভাবক নিজেই শিক্ষকের চেয়ারে বসে পড়াচ্ছেন,রোজ রবিবার(১১ই জানুয়ারি)এ বিষয়ে অভিভাবকে জিজ্ঞেসা করলে তিনি বলেন আমার মেয়ে স্কুলে আসে না তাই নোট করে নিচ্ছি।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক নাছিমা বেগমকে জিজ্ঞাসা করলে বলেন আমি কোন নোট দেইনি বলে অস্বীকার করে যা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও প্রচারের মাধ্যমে তার কথার সাথে সত্যতা পাওয়া যায়নি।
এছাড়াও বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃমাহবুব আলম খান বলেন এই বিদ্যালয়ের ভুলত্রুটি না ধরে উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য চেষ্টা করার কথা বলে সাংবাদিকদের,তিনি তাদের নিজেদের ভুল হয়েছে বলে সাংবাদিকদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট ডিলেট করার কথা বলে দেশের চলমান পরিস্থিতি উল্লেখ করে মুঠো ফোনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,
বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নানা অনিয়মের কারনে অনেক অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের অন্য বিদ্যালয়ে নিয়ে যায়, এ বিদ্যালয়ে কোনদিন ১০ জন কোনদিন ৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান চালিয়ে যায় তবে কোনদিন শিক্ষক দুই একজনও থাকে বিদ্যালয়টিতে।
সরজমিনে দেখা যায়,
পূর্ব সাদিস আমতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজ চলমান হলেও প্রতিষ্ঠানের ভুলত্রুটি না ধরে উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য চেষ্টা করার কথা বলে সহকারী শিক্ষক মোঃ মাহবুব আলম খান,বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজ কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হবে সেখানে নিজেদের ত্রুটি আছে সেগুলো ঢেকে ফেলার জন্য সাংবাদিকদের বক্তব্যে উন্নয়নমূলক কাজ করার কথা বলে এড়িয়ে যায়।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন জানান,শিক্ষকের চেয়ারে বসে কোন অভিভাবক তার সন্তানকে পড়ানো হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায়।