
বাকেরগঞ্জ বরিশাল প্রতিনিধি
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধাল ইউনিয়নের ভূমিদস্যু কে এম মাহমুদ হাচান তপি ও তার লাঠিয়াল বাহিনীর বিরুদ্ধে সরকারিভাবে ভূমিহীনদের দেওয়া বন্দোবস্তের সরকারি খাস জমি জালজালিয়াতি ও গায়ের জোরে দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সূত্রে জানা যায়
উপজেলার দুধাল ইউনিয়নের গোমা ও পিলখানা মৌজায় একাধিক ভূমিহীনদের বন্দোবস্তর জমি জোরপূর্বক জবরদখল করে রাখার আভিযোগ রয়েছে ।
এ বিষয়ে সরকার কর্তৃক ভূমিহীন কাঠ ধারী ভুক্তভোগী মোঃ মহসিন হোসেন খান, আব্দুল বারেক হাওলাদার, ইনসান আলী খান, কালাম চকিদার, হাফিজ উদ্দিন, শিল্পী বেগম সহ একাধিক ব্যক্তি সংবাদ মাধ্যমকে জানান।
কে এম মাহমুদ হাচান তপির পিতা আনসার আলী খানের নামে একটি বন্দোবস্তের কার্ড রয়েছে যাহার নাম্বার ২৪৬ মৌজা দুধল ও পিলখানা, জমির পরিমাণ ১.২৫ তপির বড় ভাই মোঃ আবুল কালাম আজাদ প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব হওয়ায় তার প্রভাব খাটিয়ে তাদের বন্দোবস্তে দলিলে ১.২৫ জমি থাকলেও জোরপূর্বক প্রভাব খাটিয়ে ৩.৫০ একর জমি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা আদালত ও বাকেরগঞ্জ ভূমি অফিসে একাধিক অভিযোগ করলে বাকেরগঞ্জ ভূমি অফিস বন্দোবস্ত কার্ডের জমি মেপে দিয়ে আসলে, সার্ভেয়াররা মেপে আসার পরপরই মাহমুদ হাসান তপি গায়ের জোরে ও ক্ষমতার প্রভাবে সীমানা পিলার উপরে ফেলে জোরপূর্বক জমি জবরদখল করেন।
ভুক্তভোগীরা উক্ত জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে তাদেরকে মারধর করে ফসলীয় জমি চাষাবাদ বন্ধ করে দেয়। এছাড়াও কবিরাজ গ্রামের ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজেম আলীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম জানান কবিরাজ গ্রামে তাদের এক একর বিশ্ব শতাংশ সম্পত্তি ভাইয়ের ক্ষমতার দাপটে জবরদখল করে খাচ্ছেন কে এম মাহমুদ হাসান তপি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীরা ভূমি দস্যু কে এম মাহমুদ হাসান তপির কবল থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন ।
এতে চরাঞ্চলের দরিদ্র ভূমিহীন পরিবারগুলো কে এম মাহমুদ হাচান তপির বাবার নামে দেয়া খাস জমির বন্দোবস্ত কার্ড বাতিল করে শাস্তির দাবি করেন। এ বিষয়ে কে এম মাহমুদ হাসান তপির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি
এবিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিসনার ভূমি তন্ময় হালদার
সংবাদ মাধ্যমে জানান, সরকারি খাস জমি এবং বন্দোবস্ত জমি কারো জবরদখল করে রাখার সুযোগ নেই, ইতিপূর্বেও এই জমি একাধিকবার মাপা হয়েছে। স্থানীয় ভূমিহীনদের দেয়া সরকার কর্তৃক বন্ধবাস্তব জমি মাপের জন্য একটি দরখাস্ত পেয়েছি, সরজমিনে সার্ভেয়ার ও কানুনগো পাঠানো হয়েছিল, জমি চর অঞ্চলে নিচু হওয়ায় অধিক পরিমাণে পানি থাকায় মাপা সম্ভব হয়নি। বৃষ্টি বর্ষা ও জমি থেকে পানি কমলে মেপে কার্ডধারীদের প্রাপ্ত জমি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।