| ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |১লা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি April 18, 2026, 7:11 am
Title :
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানবসেবা ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু! পুরান ঢাকায় হাম প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ: ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে সংক্রমণ অন্ধকার জয়ী এক আলোর সারথি স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত মো. সাইদুল হক দিনাজপুরে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে সাইক্লিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ডে-লাইট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত দিনাজপুর বীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক অভিযানে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক ধর্ষণচেষ্টার পর শিশু হত্যা, গণধোলাইয়ে নিহত ২ কালিয়াকৈরে লোডশেডিংয়ে দিশেহারা জনজীবন বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন ২০২৬: চেয়ারম্যান পদে লড়বেন সাবেক বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন হাওলাদার!

ভেঙেই গেল সুন্দরগঞ্জের সেই ভাইরাল সেতু

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, অক্টোবর ৮, ২০২৪
  • 312 Time View

আসাদুল ইসলাম, গাইবান্ধা

পারাপারের দুর্ভোগ যেন পিছু ছাড়ছে না তিস্তা পারের মানুষের। এবার শেষমেশ ভেঙেই গেল গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কাজ শেষের আগেই ভেঙে যাওয়া সেই ভাইরাল সেতুর অর্ধেক অংশ। ফলে গুড়েবালিতে পরিণত হয়েছে মানুষের নদী পারাপারের দুর্ভোগ লাঘব হওয়ার স্বপ্ন।

জানা যায়, উপজেলার বেলকা বাজারের উত্তর পাশে বয়ে যাওয়া তিস্তা নদীর শাখার খেয়াঘাট দিয়ে বেলকা ও হরিপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চলের অন্তত ২০ হাজার মানুষ মালামালসহ যাতায়াত করতেন নৌকা করে। নৌকা ধরতে একটুখানি বিলম্বেই অপেক্ষা করতে হতো প্রায় ঘন্টা খানেক। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো অসুস্থ রোগীর স্বজনদের। বাদ পড়তো না স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগামী শিক্ষার্থীরাও। সময় মত ক্লাস ধরতে বাড়ি থেকে বের হতে হতো দে-দুই ঘন্টা আগে। নৌকা ধরতে না পারলে কখনো কখনো দুই, এক ঘন্টা করে ক্লাসও মিস হতো শিক্ষার্থীদের। অধিবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সেখানে ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি সেতু করার উদ্যোগ নেয় সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ। নকশা করে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ৩৪৪ ফুট দীর্ঘ ও ৫ ফুট প্রসস্থ সেতুটি তৈরিতে ব্যয় ধরা হয় ২৭ লাখ টাকা। কাজ পায় গাইবান্ধার সাঘাটা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছানা এন্টারপ্রাইজ।

২০২৩ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও ২০২৪ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি অবধি কাজ না করেই টাকাও উত্তোলন করেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। বিষয়টি জানাজানি হলে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয় কাজ। শেষ হয় জুনের মাঝামাঝি। কিন্তু কাজের মান নিম্নমানের হওয়ায় কয়েকদিন পরেই মাঝখানে দেবে যায় সেতুর একাংশ। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেতু দিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যায় চরাঞ্চলের মানুষের। পারাপার হন নৌকা দিয়ে। তবুও আশা ছিল সেতুটি আবার ঠিক করা হবে বলে। কিন্তু মঙ্গলবার (০৮ অক্টোবর) সকালে স্রোতের টানে ভেঙে যায় সেতুর উত্তরের দেবে যাওয়া সেই অংশসহ প্রায় অর্ধেকটা। ফলে হতাশার হন শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, কাজের নিম্নমানের কারণে সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘদিনের কষ্ট আর দূর হলো না। এখন বাড়তি টাকা ও সময় ব্যয় করতে হচ্ছে তাদের। ঘটছে শিক্ষায় ব্যাঘাত।

স্থানীয়রা বলছেন, তিন যুগ ধরে যাতায়াতের কষ্ট থেকে মুক্তি মিলছে না আমাদের। প্রতিদিন ১০ টাকা করে দিলে মাসে ব্যয় হচ্ছে ৩০০ টাকা। তাছাড়া রোগীদের হাসপাতালে এবং কৃষিপণ্য হাটে নিয়ে যাওয়া খুবই কষ্টকর। এ থেকে রেহাই পাবো কবে?
কাজের মান নিম্ন হওয়ায় সেতুটির কয়েকটি পিলার গত জুনেই দেবে যায় জানিয়ে বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ বলেন, মঙ্গলবার সকালে সেই ভাইরাল সেতুর অর্ধেক অংশ ভেঙে গেছে। লোকজনের পারাপারে সমস্যা হচ্ছে।
বিষয়টি জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজির হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category