
মোঃ আতাউল্লাহ আরীফী
গ্রামপুলিশ সদস্যদের অধিকার আদায়ের নামে অগ্রিম অর্থ আদায় ও প্রতারণার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছে “বাংলাদেশ গ্রাম পুলিশ বাহিনী ৬৪ জেলা ইউনিট”। সংগঠনটি জানিয়েছে, বিভিন্ন কমিটির নামে একটি স্বার্থান্বেষী মহল দীর্ঘদিন ধরে গ্রামপুলিশ সদস্যদের বিভ্রান্ত করে আগাম টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, যার বেশিরভাগই প্রকৃত কাজে ব্যয় হচ্ছে না।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে—সংগ্রহ করা অর্থের মাত্র ১০ শতাংশ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হলেও বাকি ৯০ শতাংশ চলে যাচ্ছে ব্যক্তিগত স্বার্থে। এ কারণে গ্রামপুলিশ সদস্যদের যেকোনো ধরনের আগাম আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের মাধ্যমে ১৯ ও ২০তম গ্রেড বাস্তবায়নই মূল লক্ষ্য
সংগঠনটি জানায়, তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো সুপ্রিম কোর্টে চলমান মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির মাধ্যমে গ্রামপুলিশ বাহিনীর সদস্যদের সরকারি ১৯তম ও ২০তম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা। এ দাবিকে গ্রামপুলিশ সদস্যদের ন্যায্য অধিকার উল্লেখ করে সংগঠনটি জানায়, আইনগত রায় ছাড়া কোনো ধরনের আর্থিক অবদান গ্রহণ করা হবে না।
রায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো অর্থ নয়
সংগঠনের ঘোষিত নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—
মামলার চূড়ান্ত রায় ও গ্রেড নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো কমিটিকে টাকা দেওয়া যাবে না।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর সদস্যরা স্বেচ্ছায় চাইলে অনুদান দিতে পারবেন।
নীতিবাক্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে: “এক হাতে রায়ের কপি, অন্য হাতে স্বেচ্ছায় অবদান—এর আগে নয় কোনো লেনদেন।”
চাঁদামুক্ত সংগঠনের দাবি
“বাংলাদেশ গ্রাম পুলিশ বাহিনী ৬৪ জেলা ইউনিট” নিজেকে একটি সম্পূর্ণ চাঁদামুক্ত ও স্বচ্ছ সংগঠন হিসেবে দাবি করে জানায়, ঐক্যবদ্ধভাবে সততার সঙ্গে আন্দোলন চালালে গ্রামপুলিশ সদস্যদের অধিকার আদায় সম্ভব হবে।
সদস্য অন্তর্ভুক্তির আহ্বান
অধিকার আদায়ের এই আন্দোলনে যুক্ত হতে আগ্রহী গ্রামপুলিশ সদস্যদের ফেসবুক পোস্টের কমেন্টে নাম, জেলার নাম ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলে জানানো হয়।
এ বিষয়ে আরও তথ্যের জন্য এস এম জিয়াউল হক, রতন কুমার ও রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একাধিক মোবাইল নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে।
📲01916371300
📲01917123408
📲01738451514