| ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |১৫ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি June 1, 2026, 8:58 am
Title :
শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজালাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর. স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইখলাস বাকেরগঞ্জ এর ঈদ পরবর্তী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুভ উদ্বোধন করেছেন এমপি ওয়াহাব আকন্দ “বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে’ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা লীগ -এর নাম করণ প্রসঙ্গ” ত্যাগ ও কুরবানির মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুসলিম পরিবার, ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছায় দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া শিল্পী সমিতির সদস্য হলেন সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুবিনা আলমগীর নিয়ামতি ইউনিয়নের সোহেল ফরাজীর জনগণের ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপন সাংবাদিক সাইফুল ওয়াদুদের ওপর হামলা: থানায় এজাহার, প্রতিবাদ ইউনাইটেড প্রেসক্লাবের আলোচনার শীর্ষে সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা আবরার এশাল ‘সাংবাদিকদের অধিকার কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিতে হবে’

নেয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপিতে আতঙ্কের রাজত্ব: সৌদি প্রবাসী সোহেল ফরাজীর নেতৃত্বে সন্ত্রাসী সিন্ডিকেট

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, আগস্ট ১২, ২০২৫
  • 210 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:- বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ নং নেয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপিতে ৫ই আগস্টের পর হঠাৎ করেই সক্রিয় হয়ে ওঠেন দীর্ঘ ১৭ বছর সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটানো হোটেল বয় সোহেল ফরাজী, যিনি স্থানীয়দের কাছে “সৌদি রাজপুত্র” নামে পরিচিত।

রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশের পরপরই তিনি সাবেক ছাত্রদল সভাপতি আসাদুল্লাহকে হাত-পায়ের রগ কেটে গুরুতরভাবে আহত করার ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন এবং স্থানীয় সূত্র মতে, একটি বিশাল সন্ত্রাসী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন।

শাহীন ওরফে সোহেল ফরাজীর ভয়-ভীতি প্রদর্শনে নেয়ামতি ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বহু নেতাকর্মী ভয়ে চুপসে আছেন। অভিযোগ রয়েছে, বিপুল পরিমাণ অর্থের জোরে তিনি উপজেলা বিএনপি থেকে শুরু করে পৌর বিএনপির প্রভাবশালী মহল পর্যন্ত নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন।

উপজেলা বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সোহেল ফরাজী প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, “আমি হব নেয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, যত টাকা লাগে দেব”। স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, এই অর্থবলই তার রাজনৈতিক অবস্থানকে দৃঢ় করেছে। যারা তার বিরোধিতা করছেন, তাদের আসাদুল্লাহর মতো পরিণতি ভোগ করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

বহু অভিজ্ঞ ও ত্যাগী নেতাকর্মী অভিযোগ করছেন, ১৭ বছর রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেও তারা আজ উপেক্ষিত। উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রভাবশালী নেতারা তাদের কথা না শুনে বরং সোহেল ফরাজীর নির্দেশকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে মেনে নিচ্ছেন।

এলাকাবাসী বলছেন, সোহেল ফরাজীর ক্ষমতার উত্থান যেন ইউরোপ-আমেরিকার কোনো জাদুর শহরের গল্পের মতো—কামরূপ-কামাখ্যার জাদুর মতোই ‘জাদুর লাঠি’ হাতে নিয়ে তিনি বিএনপির সভাপতি পদ দখল করেছেন। স্থানীয় রাজনীতিতে কোটি টাকার বিনিময়ে চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category