
বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি :- বরিশালের বাকেরগঞ্জে জোরপূর্বক পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের নিয়ামতি বাজার এলাকায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো: নুর হোসেন বাকেরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নিয়ামতি গ্রামের রশিদ হাওলাদারের ছেলে নুর হোসেন নিয়ামতি মৌজায় ১৫৩৯ নং খতিয়ানে ৩৪৯৮/৩৮৩৮ দাগে পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্রে ১.৫ শতাংশ জমির মালিক।
নুরহোসেন, তার ভাই আমির হোসেন ও তাদের চাচা আব্দুল লতিফ হাওলাদার ২০১২ সালে চান মল্লিকের ছেলে নুরুল ইসলাম মল্লিকের কাছ থেকে উক্ত দাগে ১ শতাংশ ও পরবর্তীতে ২০২০ সালে মুজাফফর হাওলাদারের ছেলে আজিজুর রহমানের কাজ থেকে নুর হোসেন একা ১.৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর উক্ত জমিতে নুর হোসেন ও একই দাগের পার্শ্ববর্তী জমির মালিক বিবিচিনি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের তৎকালিন সভাপতি আ: খালেক পাশাপাশি দোকান ঘর নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে ঘরের দুই মালিকই পৃথকভাবে জনৈক জাহাঙ্গীর হোসেন ও আলমগীর হোসেনের সাথে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে দোকান ভাড়া দেয়। নুর হোসেন ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হওয়ায় ও ততকালীন সময় আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় থাকায় আ: খালেক জোরপূর্বক এককভাবে দুই দোকানের ভাড়া নিয়ে আসছিল। নুর হোসেন এতে বাধা দিলে তাকে মিথ্যে গায়েবি মামলায় গ্রেফতার করানো হয় ও একাধিকবার পুলিশ দিয়ে হয়রানি করা হয়। পরবর্তীতে আ: খালেক ভূয়া কাগজ বানিয়ে স্থানীয় কাজী হাপিজুর রহমানের ছেলে আমান উল্লাহর কাছে নিজের জমি ও নুর হোসেনের জমি বিক্রি করেন।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি আমান উল্লাহ উক্ত জমিতে পাকা ঘর নির্মাণের চেষ্টা করলে নুর হোসেন এতে বাধা দিলে তাকে খুন জখমের হুমকি দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে নুর হোসেন বাকেরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এব্যাপারে নুর হোসেন বলেন, আমার পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে আমান উল্লাহ জোরপূর্বক পাকা ঘর নির্মাণ করতেছে, আমি এ ব্যাপারে বাকেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও এখানো কাজ চলমান রয়েছে।
এব্যাপারে আমান উল্লাহর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আ: খালেকের কাছ থেকে জমি ক্রয় করে ঘর নির্মাণ করতেছি।