
বরিশালের বাকেরগঞ্জে পৌরসভার সদর রোড ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের ডিস ব্যবসায়ী আলমগীরের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ উঠেছে গোপনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার।
স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রকাশ্যে তৎপরতা কমিয়ে দিলেও আড়ালে থেকে তিনি দলীয় যোগাযোগ ও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়ার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় তার নির্দেশে বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠক করে আসছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এলাকায় প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত ছিলেন আলমগীর। সাবেক পৌর মেয়রের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় পৌর এলাকায় ডিস লাইনের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করত আলমগীর। বর্তমানে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে তিনি প্রকাশ্যে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে না থাকলেও বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রীতি সময়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাবেক পৌর মেয়রের সাথে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার মিছিল মিটিং এর বেশ কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। যে কারণে নতুন করে আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, আলমগীরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার অভিযোগ থাকলেও এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে তিনি কীভাবে প্রকাশ্যে ও গোপনে রাজনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আলমগীরের বক্তব্য নেয়ার জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। যে কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং আইন ভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।