| ২২শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |১৭ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি February 5, 2026, 4:11 am
Title :
ডিপিডিসির মাতুয়াইলে গ্রাহক জিম্মি অবৈধ সংযোগ ও ঘুষ বাণিজ্যের নেপথ্যে লাইনম্যান ফিরোজ “সুস্থ প্রজন্মের জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার বিকল্প নেই” — ইউএনও রুমানা আফরোজ বরিশালের আওয়ামী লীগ সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুলকে ঘিরে জনমনে ক্ষোভ জমকালো আয়োজনে অনুরাগের বর্ষবরণ বিচার যখন নির্দোষের জীবন নেয় গ্রামপুলিশ সদস্যদের সতর্ক করল চাঁদামুক্ত সংগঠন, ১৯–২০তম গ্রেড বাস্তবায়নে ঐক্যের আহ্বান অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিমাসে কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে নাহিদের বিরুদ্ধে ! ​রাজশাহীতে সরকারি রাস্তা দখল করে আওয়ামী লীগ নেতার মার্কেট জাতীয় সাংবাদিক ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ (জেএসএফবি)-এর ২০২৬-২৮ নির্বাচনে সভাপতি ফারুক হোসেন মজুমদার সাধারণ সম্পাদক কে এম রুবেল লামা উপজেলা পরিষদের ইজারার রাজস্বের বকেয়া অর্থ না দেওয়ায় থমকে আছে উন্নয়ন কাজ

লামা উপজেলা পরিষদের ইজারার রাজস্বের বকেয়া অর্থ না দেওয়ায় থমকে আছে উন্নয়ন কাজ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, জানুয়ারি ২১, ২০২৬
  • 37 Time View

মুহাম্মদ এমরান
লামা-বান্দরবান

পার্বত্য বান্দরবানের ৭টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভার মধ্যে লামা হচ্ছে সবচেয়ে বৃহৎ ও জনবহুল উপজেলা। উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ সংস্থান না থাকায় এ উপজেলায় অনেক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেনা। এর মধ্যে ইজারার প্রাপ্ত অর্থ বকেয়া থাকায় আরো দূর অবস্থার মধ্যে পড়েছে পরিষদটি।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উপজেলায় ৭টি টোল পয়েন্ট ও ৪টি হাট-বাজার ইজারা দেয়। ইজারার প্রাপ্ত রাজস্বের অর্থ থেকে সরকারী বিধি মোতাবেক লামা উপজেলা পরিষদ পায় ৬১ লাখ ৩১ হাজার ০৮ শত ৮০ টাকা। অর্থ সংকটে থাকা লামা উপজেলা পরিষদের পক্ষে থেকে অফিসিয়াল নিয়মে বকেয়া টাকা দিয়ে দেওয়ার জন্য বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদকে বার বার অবগত করে চিঠি দেওয়া সত্বেও টাকা দিচ্ছেনা বলে জানান লামা উপজেলা পরিষদের দায়িত্বরত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন।তিনি এই বিষয়ে গত ১৯ জানুয়ারী সাংবাদিকদের জানান, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে লামা উপজেলার উল্লেখিত: হাট-বাজার ও টোল পয়েন্ট ইজারাকৃত অর্থ হইতে লামা উপজেলা পরিষদে প্রাপ্য রাজস্বের অংশ সম্পূর্ণরুপে প্রেরণ করা হয় নাই। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক গত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে লামা উপজেলায় ৭টি টোল পয়েন্ট ও ৪টি হাট-বাজার ইজারা দেয়। ইজারার প্রাপ্ত অর্থ থেকে সরকারী বিধি মোতাবেক লামা উপজেলা পরিষদ পায় ৬১লাখ ৩১হাজার ৮শত ৮০ টাকা।

আমাদের প্রাপ্ত রাজস্ব থেকে জেলা পরিষদ গত লামা উপজেলা পরিষদের নামের ইস্যুকৃত চেক নং- ১০০৭২৭৫৬৩৪ মূলে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ২৪লাখ ৩৭হাজার ৬শত ৫০টাকা প্রেরণ করে। উপজেলা পরিষদ এখনো পাওনা রয়েছে ৩৬ লাখ ৯৪হাজার ২শত ৩০টাকা। লামায় যে সব টোল পয়েন্ট ইজারা দেওয়া হয় তা হচ্ছে, আজিজনগর-গজালিয়া রাস্তার মাথা সড়ক (বান্দরবান সীমানা) সীমানা)- ৪০১,০০০/-, ফাঁসিয়াখালী রাজাপাড়া রাঙা সড়ক (বান্দরবান ইয়াংছা খালের মুখ নদীপথ (বান্দরবান সীমানা)- ১,২১,০০০/-, ফাঁসিয়াখালী রাজাপাড়া রাঙা সড়ক (বান্দরবান ইয়াংছা খালের মুখ নদীপথ (বান্দরবান সীমানা)-১,২১,০০০/-আলীকদম- ফাঁসিয়াখালী সড়কে কুমারী কভার সংলগ্ন সড়ক পথ (বান্দরবান সীমানা) ৪৬,২৪,০০০/-, ১২,২০,০০০/-, ৫৭,৭৩,৬৮০/-, ফাইতং এলাকাধীন বানিয়ারছড়া সংলগ্ন সড়ক পথ ও সোনাছড়ি গস নদী পা (বান্দরাম সীমানা সরই ইউনিয়নস্থ হাছনাভিটা কর্ণবিট অফিস সংলগ্ন সড়ক পথ (বান্দরবান সীমানা)-৬০,০০,০০০/-, সরই ইউনিয়নস্থ পূর্বচাম্বি মুসলিম বাজার সংলগ্ন সড়ক ও নদীপথ (বান্দরবান) ১৭,৮০,০০০/-, ১,১০,০০০/- মোট= ১,৪২,৫৬,০০০/-এবং ইজরাকৃত হাট-বাজার এর নামঃ লামা বাজার, গজালিয়া বাজার, চাম্বি মফিজ বাজার, ডলুছড়ি বাজার, মোট ইজারাকৃত অর্থ ১৮,৪০,০০০/-।

এ বিষয়ে ইউএনও মো. মঈন উদ্দিন আরও জানান, সরকারী বিধি মোতাবেক ইজারায় প্রাপ্ত অর্থের ১০০ টাকার ১০ টাকা পায় আঞ্চলিক পরিষদ, বাকি ৯০ টাকার মধ্যে জেলা পরিষদ পাবে ৫৫ টাকা আর উপজেলা পরিষদ পাবে ৪৫ টাকা। এ ছাড়া পৌরসভার মধ্যে হলে, ১০০ টাকার মধ্যে পৌরসভা পাবে ৪০ টাকা, বাজার ফান্ড পাবে ৪০ টাকা আর বাকি ২০ টাকা পাবে উপজেলা পরিষদ। অর্থ সংকটে থাকা লামা উপজেলা পরিষদের পক্ষে থেকে অফিসিয়াল নিয়মে বকেয়া টাকা দিয়ে দেওয়ার জন্য বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদকে বার বার অবগত করা সত্বেও বান্দরবান জেলা পরিষদ টাকা দিচ্ছেনা। এ কারণে পরিষদ চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category