| ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি March 12, 2026, 11:47 am
Title :
বাকেরগঞ্জে চেয়ারম্যানের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ দিলেও মামলা নেয়নি পুলিশ, জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন বাকেরগঞ্জে সরকারি খালের মাটি কাটায় খাঁন ব্রিকস কে ২ লাখ টাকা জরিমানা ঢাকায় নোয়াখালী জার্নালিস্ট ফোরামের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ব্রিজের ঢাল নির্মাণে আওয়ামী লীগ নেতার আধিপত্য বিস্তরের অভিযোগ!আওয়ামী নেতার বাঁচানোর জন্য জামাল মেম্বারের অভিনব পদ্ধতি সাহসী কলমের যোদ্ধা সাংবাদিক জিয়াউল হক অন্যান্য পথ চলা সাহসী কলমের যোদ্ধা — সাংবাদিক জিয়াউল হক আকনের অনন্য পথচলা যে কোনো সময় ছাত্রদলের নতুন কমিটি, সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা বাকেরগঞ্জে ‘চাল আত্মসাৎ’ অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা: বিএনপি নেতার নেতৃত্বে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলা, তদন্তে প্রাথমিক প্রমাণ মেলেনি লামায় মাদ্রাসা শিক্ষকের বাগান থেকে জোরপূর্বক গাছ কেটে নিয়ে গেলো দূর্বৃত্তরা জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে আলোচনায় এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রত্যাশা বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড বাসিকে আসন্ন ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ ওবায়েদুল ইসলাম

সার্ক পুনরুজ্জীবিত হলে আঞ্চলিক অনেক সমস্যার সমাধান হবে – পিটিআইকে ড. ইউনূস

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৪
  • 312 Time View

প্রথম বাংলা -দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) একটি মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত হয়েছিল। তবে এটি এখন কেবল কাগজে কলমে আছে, কাজ করছে না। ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, ‘সার্কের চেতনার’ পুনরুজ্জীবন হওয়া উচিত। আট সদস্যের এই জোট আঞ্চলিক অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারে।

ঢাকায় সরকারি বাসভবন যমুনায় পিটিআইকে এই সাক্ষাৎকার দেন ড. ইউনূস।

সার্কের সদস্যদেশের মধ্যে রয়েছে—আফগানিস্তান,বাংলাদেশ ভুটান,ভারত,মালদ্বীপ,নেপাল,পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা।

ইউনূস উল্লেখ করেছেন, তিনি চলতি মাসের শেষ নাগাদ অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান। সার্কভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে ছবি তোলার চেষ্টা করবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ড. ইউনূস বলেন, ‘অবশ্যই, আমরা (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে) দেখা করার চেষ্টা করব। সার্কভুক্ত দেশগুলোর সব রাষ্ট্রপ্রধান একত্রিত হয়ে একটি ছবি তোলার চেষ্টা করব। সার্ক একটি মহৎ উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছিল; এটি এখন কেবল কাগজে কলমে বিদ্যমান। আমরা সার্কের নাম ভুলে গেছি, আমি সার্কের চেতনা পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছি।’

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯ তম অধিবেশনের উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ অধিবেশন ২৪–৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

ড. ইউনূস বলেন, ‘অনেক দিন সার্ক সম্মেলন হচ্ছে না আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হই, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।’

নেপাল বহু দিন ধরেই এই আঞ্চলিক জোটটিকে সক্রিয় করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১৬ সাল থেকে এ প্রচেষ্টা শুরু হলেও উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়নি।

২০১৬ সালের সার্ক শীর্ষ সম্মেলন পাকিস্তানের ইসলামা বাদে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর জম্মু ও কাশ্মীরের উরিতে ভারতীয় সেনা ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলার পর, ভারত ‘বিরাজমান পরিস্থিতিতে’ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে অপারগতা প্রকাশ করে। বাংলাদেশ, ভুটান এবং আফগানিস্তানও ইসলামাবাদ বৈঠকে অংশ নিতে অস্বীকার করলে শীর্ষ সম্মেলনটি স্থগিত করা হয়।

ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, সার্কের মতো একই রূপরেখায় গঠিত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অনেক কিছু অর্জন করেছে অথচ সার্ক এখনো তেমন কিছু অর্জন করতে পারেনি।

তিনি বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের মাধ্যমে ইউরোপীয় দেশগুলো অনেক কিছু অর্জন করেছে। সার্ক যাতে কার্যকর হয় তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দিকে তাকান, দেখবেন এই জোট কতটা সফল ও দৃশ্যমানভাবে কাজ করছে।’

‘পাকিস্তানের ব্যাপারে কোনো সমস্যা হলে, অন্য উপায়ে কাজ করা যেতে পারে। কিন্তু সার্কের কার্যক্রম বন্ধ করা উচিত নয়।’ যোগ করেন এ নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ।

২০১৬ সাল থেকে সার্ক খুব একটা কার্যকর থাকেনি। এর আগে ২০১৪ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে যে দ্বিবার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল সেটি হয়নি।

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিষয়েও সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। তিনি বলেন, মিয়ানমারকে তাঁদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে রাজি করার জন্য ভারতের কাছে সহায়তা চাইবেন তিনি।

ড. ইউনূস আরও বলেন, (রোহিঙ্গা) সংকট মোকাবিলায় ঢাকার জন্য ভারত ও চীন উভয়ের সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘ইস্যুটি সমাধানের জন্য আমাদের ভারত ও চীনের সহায়তা দরকার। প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাংলাদেশে এসেছেন এবং এখন এই জনসংখ্যা বাড়ছে। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছে। কিছু দেশ তাঁদের নিচ্ছে কিন্তু খুব অল্পসংখ্যক। ভারত মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলে, মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি করাতে আমাদের ভারতের সহায়তা দরকার।’

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নৃশংস সামরিক দমন–পীড়নের শিকার হয়ে ২০১৭ সালে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। জাতিসংঘ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থার পাশাপাশি অনেক প্রভাবশালী দেশও এই ঘটনাকে ‘জাতিগত নির্মূল’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। কক্সবাজারের আশ্রয় শিবিরগুলোতে এখন রোহিঙ্গারা মানবেতর জীবন যাপন করছে। এটি এখন বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ আশ্রয়শিবির।
(ফাইল ছবি)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category