| ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি April 22, 2026, 4:17 pm
Title :
আইডি কার্ড বাণিজ্যের অভিযোগে ‘দৈনিক বাংলার সংবাদ’: কথিত আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ বাকেরগঞ্জের সাবেক ইউএনও রুমানা আফরোজের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ সুশীল সমাজ শিবিরকে প্রতিটি ক্যাম্পাসে হাজার বার ‘গুপ্ত’ বলার ঘোষণা ছাত্রদল সম্পাদকের দেশে ডাকাতি, দস্যুতা ও ছিনতাই—এই তিন ধরনের অপরাধ এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে! দিনাজপুর বীরগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা অর্থ সংকট ও দীর্ঘসূত্রতায় থমকে আছে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্প! সংরক্ষিত নারী আসন: বরিশাল বিভাগে মনোনয়ন পেলেন ৩ নেত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রবাসি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রুবেল গাজীর পোস্টারিং কার্যক্রম মোবাইল সাংবাদিকতা নাকি ডিজিটাল হয়রানি?

বরিশালে নগরীতে জুম্মান-সাজ্জাদ’কে ফাঁসাতে মরিয়া আতিকুর ও মিনার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুন ১৯, ২০২৫
  • 146 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশাল নগরীতে বেসিক কম্পিউটারের স্বত্বাধিকারী জুম্মান সিকদার ও জে.কে.এস কম্পিউটারের স্বত্বাধিকারী শরিফুল ইসলাম সাজ্জাদ’কে বিভিন্নভাবে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে আশা মোটরসের স্বত্বাধিকারী আতিকুর রহমান আকাশ ওরফে মন্টু এবং হীরামন অনলাইনের সত্তাধিকারী মাহফুজুল হক মিনার ওরফে খিছ মিনার এর বিরুদ্ধে।

মিথ্যা ছাত্রলীগ কর্মী সাজিয়ে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের এক অসাধু কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকার বিনিময় জুম্মান সাজ্জাদ’কে গ্রেফতার করিয়েছিলেন মন্টু ও মিনার। আর মিথ্যা নাটকীয় গ্রেফতারের মাস্টারমাইন্ড তার নিজেরাই। এমনটাই দাবি ভুক্তভোগীর।

জুম্মান ও সাজ্জাদ জানান, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ বরিশালে কম্পিউটার সামগ্রী সরবরাহের কাজ পায় জুম্মান ও সাজ্জাদ। পরবর্তীতে কাজের অংশীদারিত্ব করেন মন্টু কে কিন্তু তার নিজ স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় মন্টু জুম্মান ও সাজ্জাদকে ফাঁসাতে ভুয়া টেন্ডার-ওয়ার্ক অর্ডার এবং ২৫ লক্ষ টাকার জাল চেক তৈরি করেন মন্টু।

জুম্মান ও সাজ্জাদ আরো জানান, ১৬নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা এবং ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান সুমন ওরফে পেদা সুমনের কাছ থেকে জুম্মান ও সাজ্জাদ ২০২৪ সালে ১১ লক্ষ টাকা নেয় এবং তারা পেদা সুমনের কাছে জিম্মির শিকার হয় লাভ এবং আসল মিলিয়ে জুম্মান ও সাজ্জাদ পেদা সুমনকে ৪ মাসে ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ করলেও পেদা সুমন এর হাত থেকে তাদের রক্ষা হয়নি।

টাকা পরিশোধ করার পরে চেক এবং স্টাম্প রিটার্ন দেয়ার কথা থাকলেও যুবলিগ এর ক্ষমতা দেখিয়ে তাদের ডকুমেন্টস তাদের রিটার্ন না দিয়ে সেই চেক স্ট্যাম্প মিনার ওরফে খিছ মিনার কে দিয়ে এর বিপরীতে মিথ্যা মামলাও দায়ের করেন। ভুক্তভোগীর আরো জানান, মানুষকে হয়রানি করা তাদের নেশা-পেশা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category