| ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি April 22, 2026, 10:18 pm
Title :
আবারও বাড়লো তেলের দাম অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য, জনজীবন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা গাজীপুরে শ্বশুরবাড়িতে ঠাঁই না পেয়ে দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিলেন স্ত্রী! আইডি কার্ড বাণিজ্যের অভিযোগে ‘দৈনিক বাংলার সংবাদ’: কথিত আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ বাকেরগঞ্জের সাবেক ইউএনও রুমানা আফরোজের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ সুশীল সমাজ শিবিরকে প্রতিটি ক্যাম্পাসে হাজার বার ‘গুপ্ত’ বলার ঘোষণা ছাত্রদল সম্পাদকের দেশে ডাকাতি, দস্যুতা ও ছিনতাই—এই তিন ধরনের অপরাধ এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে! দিনাজপুর বীরগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা

অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য, জনজীবন

সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক খান মেহেদী
  • Update Time : বুধবার, এপ্রিল ২২, ২০২৬
  • 5 Time View

গরমে দম বন্ধ হয়ে আসছে— বাতাস নেই, আলো নেই, আর দোকানের সামনে নেই কোনো ক্রেতার ভিড়। ফ্যান বন্ধ, ফ্রিজ বন্ধ—শুধু অপেক্ষা। সময় যেন থেমে আছে। এমন এক বাস্তবতায় ঢুকে পড়েছে দেশের অনেক এলাকা, যেখানে বিদ্যুৎ সংকট এখন শুধু খবর নয়, বরং প্রতিদিনের কষ্ট।

তীব্র গরমের মাঝেই হঠাৎ দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট। এই সংকট এতটাই গভীর হয়েছে যে দেশের প্রায় ৬৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। উৎপাদনে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ঘাটতি তৈরি হয়েছে, আর বিদ্যুতের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০০০ মেগাওয়াটে।

ফলে শহর থেকে গ্রাম— সব জায়গাতেই লোডশেডিং এখন নিত্যদিনের বিষয়। তবে গ্রামের অবস্থা আরও কঠিন। অনেক জায়গায় দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না।

এক ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রেতা। চারদিকে তাকালেই বোঝা যায়—দোকানে পণ্য আছে, কিন্তু ক্রেতা নেই। তার ভাষ্য, আগে এই গরমে ফ্যান বিক্রি হতো অনেক, কিন্তু এখন বিক্রি একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে। গরম বাড়লেও ক্রেতা আসছে না, কারণ বিদ্যুৎই নেই।

একই চিত্র দেখা গেছে একটি ছোট রেস্টুরেন্টেও। ফ্রিজে রাখা খাবার ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মালিক বলছেন, তীব্র গরমে কেউ বসে খেতেও পারছে না, আর ব্যবসাও প্রায় বন্ধ। প্রতিদিনই বাড়ছে লোকসান। কাপড়ের দোকানগুলোর অবস্থাও একই।

দিনের কষ্ট শেষ হলেও রাত যেন আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পুরো এলাকা। অনেক দোকানদারের মতে, রাতে সমস্যা আরও বেশি— কারণ আলো না থাকলে দোকানে বসে থাকাও কঠিন হয়ে পড়ে।

এই পুরো পরিস্থিতি যেন এক অদৃশ্য চাপে ফেলে দিয়েছে সাধারণ মানুষকে। যুদ্ধ, জ্বালানি সংকট আর তীব্র গরম—সব মিলিয়ে জীবন হয়ে উঠেছে কঠিন। যেখানে একসময় দোকানে ভিড় থাকত, সেখানে এখন শুধু নীরবতা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category