| ২২শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২৪শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি September 6, 2026, 3:52 pm
Title :
সাভারে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ: প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে কঠিন প্রশ্ন শেওড়াপাড়ায় ৫ কাঠা জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিরপুর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএনপিকে একাধিকবার ক্ষমতায় থাকতে হবে: ইশরাক বিশ্ব ইজতেমার প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা আটকের পর দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০ নেপালকে ১০ লাখ ডলার সহায়তা প্রদান করল বাংলাদেশ অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সরকারের সংশ্লিষ্টদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গালিগালাক  ছাত্র গ্রেপ্তার! উল্টোপথে মন্ত্রীর গাড়ি, মামলা দিলো পুলিশ বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে আপত্তিকর ভিডিও, নোয়াখালীতে দুই শিক্ষক বরখাস্ত

অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য, জনজীবন

সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক খান মেহেদী
  • Update Time : বুধবার, এপ্রিল ২২, ২০২৬
  • 124 Time View
২২৬

গরমে দম বন্ধ হয়ে আসছে— বাতাস নেই, আলো নেই, আর দোকানের সামনে নেই কোনো ক্রেতার ভিড়। ফ্যান বন্ধ, ফ্রিজ বন্ধ—শুধু অপেক্ষা। সময় যেন থেমে আছে। এমন এক বাস্তবতায় ঢুকে পড়েছে দেশের অনেক এলাকা, যেখানে বিদ্যুৎ সংকট এখন শুধু খবর নয়, বরং প্রতিদিনের কষ্ট।

তীব্র গরমের মাঝেই হঠাৎ দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট। এই সংকট এতটাই গভীর হয়েছে যে দেশের প্রায় ৬৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। উৎপাদনে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ঘাটতি তৈরি হয়েছে, আর বিদ্যুতের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০০০ মেগাওয়াটে।

ফলে শহর থেকে গ্রাম— সব জায়গাতেই লোডশেডিং এখন নিত্যদিনের বিষয়। তবে গ্রামের অবস্থা আরও কঠিন। অনেক জায়গায় দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না।

এক ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রেতা। চারদিকে তাকালেই বোঝা যায়—দোকানে পণ্য আছে, কিন্তু ক্রেতা নেই। তার ভাষ্য, আগে এই গরমে ফ্যান বিক্রি হতো অনেক, কিন্তু এখন বিক্রি একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে। গরম বাড়লেও ক্রেতা আসছে না, কারণ বিদ্যুৎই নেই।

একই চিত্র দেখা গেছে একটি ছোট রেস্টুরেন্টেও। ফ্রিজে রাখা খাবার ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মালিক বলছেন, তীব্র গরমে কেউ বসে খেতেও পারছে না, আর ব্যবসাও প্রায় বন্ধ। প্রতিদিনই বাড়ছে লোকসান। কাপড়ের দোকানগুলোর অবস্থাও একই।

দিনের কষ্ট শেষ হলেও রাত যেন আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পুরো এলাকা। অনেক দোকানদারের মতে, রাতে সমস্যা আরও বেশি— কারণ আলো না থাকলে দোকানে বসে থাকাও কঠিন হয়ে পড়ে।

এই পুরো পরিস্থিতি যেন এক অদৃশ্য চাপে ফেলে দিয়েছে সাধারণ মানুষকে। যুদ্ধ, জ্বালানি সংকট আর তীব্র গরম—সব মিলিয়ে জীবন হয়ে উঠেছে কঠিন। যেখানে একসময় দোকানে ভিড় থাকত, সেখানে এখন শুধু নীরবতা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category