
জামাল হোসেন মাদারীপুর
আমাদের প্রিয় কালকিনি,কালকিনির পবিত্র মাটি ও পবিত্র পরিবেশকে অপবিত্র করার পায়তারা চলছে। অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সাথে বলছি আমাদের ঐতিহ্যবাহী শান্ত ও সুশৃঙ্খল উপজেলা কালকিনিতে ‘বাণিজ্য মেলা’র নামে চরম অপসংস্কৃতি, অশ্লীলতা এবং বেহায়াপনা চলছে। মেলার মূল উদ্দেশ্য বাণিজ্য কিংবা বিনোদন হওয়ার কথা থাকলেও, বর্তমানে সেখানে যা ঘটছে তা আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে এবং এলাকার সামাজিক ও ধর্মীয় পরিবেশকে কলুষিত করছে।
একটি সভ্য সমাজে বিনোদনের নামে এমন নগ্নতা এবং নৈতিকতা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। মেলা প্রাঙ্গণে উচ্চশব্দে গান-বাজনা, কিশোর-তরুণদের নৈতিক অবক্ষয় এবং একশ্রেণীর মানুষের অসামাজিক কার্যকলাপ আমাদের মা-বোনদের স্বাভাবিক চলাচলের পরিবেশ নষ্ট করছে।
আমরা ব্যবসা-বাণিজ্য বা সুস্থ বিনোদনের বিরোধী নই, কিন্তু বিনোদনের নামে যারা আমাদের পবিত্র কালকিনির মাটিকে এই ধরণের নোংরামি আমদানি করছে, তাদের এই অপচেষ্টাকে তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই।
অবিলম্বে মেলার নামে এই বেহায়াপনা ও অপসংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, দয়া করে স্থানীয় যুবসমাজ ও সামাজিক পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিন।
আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলার স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে এই অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সবাই সোচ্চার হই। তা না হলে অচিরে আমাদের কালকিনিতে মদ, জুয়া, গাজা,হিরোইন এর মত মাদকদ্রব্য যুব সমাজকে ধ্বংস করে দেবে। অচিরে আমাদের সচেতন মহল কে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি আলেম সমাজ ও প্রশাসনকে এ ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এই সমাজকে কলুষিত মুক্ত করার জন্য। আর দেরি নয় এখনি দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। যেখানে অন্যায় হবে সেখানে রুখে দাঁড়াতে হবে। কাঁধে কাঁধ মিলি আমরা ভালো কাজ করব,যেখানে অন্যায় দেখবো সাথে সাথেই প্রতিবাদ করব । তবেই আমাদের সমাজের দৃশ্যপট ঘুরে দাঁড়াবে।