| ১৩ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |১৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি August 28, 2026, 5:29 pm
Title :
টাংগাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মইনুল ইসলাম দুর্নীতি ও অনিয়ম করেও বহাল তবিয়তে লক্ষীপুরে মসজিদের অজুখানায় সাংবাদিককে হামলা ও হত্যার হুমকি, আক্তার মেম্বারের অত্যাচারে মান্দারীবাসী অতিষ্ঠ” বাকেরগঞ্জে ‘ধরা ছোঁয়ার বাইরে’ আওয়ামী লীগের দোসর আলমগীর, গোপনে কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ ছাত্রীকে অশ্লীল বার্তা- পাঠানোর অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে; প্রমাণ দেখিয়েও বিদ্যালয়ে প্রতিকার মেলেনি, থানায় জিডি চাষাড়ার এলিট ক্লাবে জমকালো আয়োজনে সংবাদ প্রতিদিনের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন চন্দ্রগঞ্জ থানা মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান: একাধিক স্থানে তল্লাশি, মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার’ ও গ্রেফতার কুশাখালী ইউনিয়ন যুবদলে কে গতিশীল ও দক্ষ সংগঠন হিসে বে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছেন ইব্রাহিম খলিল বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম করণ পরিবর্তন করে”বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু আদর্শ লীগ করা হয়েছে নরসিংদীর শিবপুরে তিনটি গরুকে বিষ খাইয়ে হত্যা দলে দুর্দিনে আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করতে দেশব্যাপী আলোচনায় সুনামগঞ্জের পরিচিত মুখ আবু বক্কর ছিদ্দিক (এভি ভাই)

টাংগাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মইনুল ইসলাম দুর্নীতি ও অনিয়ম করেও বহাল তবিয়তে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬
  • 2 Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি : টাংগাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ( ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভুঞার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ হলেও রয়েছে বহাল তবিয়তে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও কোন ব্যবস্হা নিচ্ছেন না। অনেক দুর্নীতি ও অনিয়ম ধামাচাপা পরে যাচ্ছে। আওয়ামীলীগ সরকারের সুবিধা ভোগী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভুঞা বর্তমান সরকারের সময় রয়েছে বহাল তবিয়তে।

একটি সুত্রে জানা যায় টাংগাইল জেলার বেশ কয়েকজন এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গত আমন সংগ্রহের পর রাতের আধারে গুদামের চাউল বাইরে বিক্রি করার পর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ভাগ পেয়ে কোন ব্যবস্হা নেয়নি।

নিন্মে উল্লেখিত সংবাদ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পেরণ করা হলে। দায়সারা তদন্ত করে ধামাচাপা দেওয়ার ফন্দি করছে।

টাংগাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ( ভার প্রাপ্ত) মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভুঞা এর বিরুদ্ধে ধান-চাল সংগ্রহকে কেন্দ্র করে ব্যাপক কমিশন বাণিজ্য, গুদাম কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় এবং অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, চলমান বোরো মৌসুমে টাংগাইলে অবস্থান ধরে রাখতে তদবির ও ঘুষের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন মহলকে প্রভাবিত করেছেন তিনি।

খাদ্য বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তিনি যোগদান করার পর বোরো ও আমন মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহ, মিলে ছাঁটাই এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে কোটি কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্য হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, চাল সংগ্রহে প্রতি টনে ৩০০ টাকা, ধান সংগ্রহে প্রতি টনে ২০০ টাকা এবং মিলে ছাঁটাই বাবদ প্রতি টনে ৫০০ টাকা করে আদায় করা হয়। প্রতি বোরো মৌসুমে জেলায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হয়। শুধু চাল সংগ্রহ থেকেই কমিশন বাবদ প্রায় সোয়া কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ধান সংগ্রহ ও বোরো, আমন মৌসুমের সংগ্রহ কার্যক্রম মিলিয়ে বছরে দুই কোটিরও বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

খাদ্য বিভাগের একটি সুত্রে জানা যায় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে পোস্টিং পেতে কোটি টাকা ও গুদাম ইনচার্জ পদে বড় এলএসডিতে ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়। বিগত সময় অনেক গুদাম কর্মকর্তার দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রকাশ পাওয়ায় বরখাস্ত ও সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন ডিসি ফুড ও এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( খাদ্য পরিদর্শক এর রাজধানীর উওরা, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, গাজীপুর ও মিরপুর এলাকায় রয়েছে আলিশান ফ্ল্যাট ও বাড়ী। নামে বেনামে সহায় সম্পদ, ব্যাংক ব্যালেস্হ।

এছাড়া জেলার বিভিন্ন গুদাম কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা করে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা যায় চলতি বোরো চাউল সংগ্রহ অভিযানে জেলার ধনবাড়ি, ঘাটাইল, কালিহাতি, সদর এল এসডিতে ভাঙ্গা দানা মিশ্রিত নিম্ন মানের চাউল ক্রয় করে গুদাম কর্মকর্তারা। জেলা খাদ্য জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোটা অংকের কমিশন নিয়ে কোন ব্যবস্হা নিচ্ছেন না।

এছাড়াও তার বিরুদ্ধে রয়েছে আরও অনিয়ম ও দুর্নীতি।
এ ব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্র মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভুঞার মতামত জানতে একাধিক বার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি। হোয়াইট অ্যাপ এ মেসেজ পাঠিয়েও মতামত জানা যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category