| ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২১শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি June 7, 2026, 4:30 am
Title :
কালকিনিতে বাণিজ্য মেলার নামে চলছে অপসংস্কৃতি ও বেহায়াপনা শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজালাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর. স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইখলাস বাকেরগঞ্জ এর ঈদ পরবর্তী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুভ উদ্বোধন করেছেন এমপি ওয়াহাব আকন্দ “বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে’ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা লীগ -এর নাম করণ প্রসঙ্গ” ত্যাগ ও কুরবানির মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুসলিম পরিবার, ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছায় দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া শিল্পী সমিতির সদস্য হলেন সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুবিনা আলমগীর নিয়ামতি ইউনিয়নের সোহেল ফরাজীর জনগণের ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপন সাংবাদিক সাইফুল ওয়াদুদের ওপর হামলা: থানায় এজাহার, প্রতিবাদ ইউনাইটেড প্রেসক্লাবের আলোচনার শীর্ষে সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা আবরার এশাল

কৃষি বিভাগের সহযোগিতায়”মধুপুর লালমাটি পাহাড়ে পেঁপের বাম্পার ফলন ও দামে খুশি কৃষক

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৫
  • 361 Time View

স্টাফ রিপোর্টার : টাঙ্গাইলের মধুপুরে এ বছর এক হাজার ৫৬ হেক্টর জমিতে পেঁপে চাষ হয়েছে। এতে প্রায় ৩৫ ৪০ মেট্রিক টন পেঁপে উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার বাজার মূল্য ৪ শত কোটি টাকা দাঁড়াবে বেলে আশা কৃষি বিভাগের। এদিকে টাঙ্গাইলের মধুপুর পাহাড়িয়া গড়াঞ্চলে এবার অন্যন্য সবজি ফসলের তুলনায় পেঁপেরও বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। সেই সাথে দামও পাচ্ছেন আশানুরূপ। ভালো ফলম ও দামের কারণে আগামীতে আরো বেশি চাষের প্রত্যাশা করছেন কৃষক।

মধুপুরের মিজাবাড়ী এলাকায় ৭ বিঘা জমি লিজ নিয়ে টপলেডি জাতের পেঁপে চাষ করেছেন নতুন কৃষি উদ্যোক্তা শাহজামাল মিয়া। তার এ ৭ বিঘা জমির পেঁপে বাগানে খরচ হয়েছে ১০ লক্ষাধিক টাকা। খরচ একটু বেশি হলেও ২০ থেকে ২২ লক্ষ টাকা বিক্রির আশা করছেন এই কৃষক। তিনি বলেন, বাগান থেকে আমার ২ লাখ ৩০ হাজার কেজি পেঁপে উৎপন্ন করেছি। প্রতি কেজি ৩০ টাকায় বিক্রি করেছি। বাজার ভেদে আরো বাড়তে পারে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহদুল ইসলাম জানান, আমার দায়িত্বরত এলাকা মিজাবাড়ী ইউনিয়ন, এখানে ছোট বড় মিলে ১২টি বাগান রয়েছে। প্রতিদিন এদেরকে তারদের সাথে কথা বলে নানা ভাবে পরামর্শ দিয়ে থাকি যাতে করে ফলন ভালো হয় ও অধিক দামে নিয়ে কৃষকেরা বিক্রি করতে পারে।

রানিয়াদ গ্রামের কৃষক মজনু মিয়া বলেন, গত বছর আমি ৩ বিঘা জমি ২ বছরের জন ২লক্ষ টাকা দিয়ে লিজ নিয়েছি ১৫শ পেঁপে র চারা রোপন করছি এতে আমার খরচ হয়েছে ৫ লক্ষ টাকা। আশা করছি ১২ লক্ষ টাকা মত বিক্রি করতে পারবো। পেঁপে ব্যবসারী হাজিজুল জানান, আমি প্রতি বছর ১০ ১২ লক্ষ টাকার পেঁপেবাগান কিনি। এবছর ১৭ লক্ষ টাকার দুই মন করে পেঁপে ধরেছে আশা করছি এ বছর ভালো লাভ থাকবে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের তথ্যমতে মধুপুরে এ বছর এক হাজার ৫৬ হেক্টর জমিতে

পেঁপে চাষ হয়েছে। যা প্রায় ৩৫-৪০ মেট্রিক টিন উৎপাদন সম্ভব। যার বাজার মূল্য দাড়াবে ৪ শত কোটি টাকা।

উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা তুলনামূলক উচু হওয়ায় এখান কার কৃষকদের আনারস ও পেঁপে চাষে আগ্রহ বেশি কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পেঁপে চাষে জমি প্রস্তুত থেকে শুরু করে গাছ থেকে পেঁপে তোলা পর্যন্ত বিঘাপ্রতি প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। দাম ভালো থাকলে বিঘাপ্রতি দেড় থেকে দুই লাখ টাকার বেশি পেঁপে বিক্রি করা যায়। এ কারণে উপজেলার প্রায় সব কটি ইউনিয়নেই কমবেশি পেঁপের আবাদ হয়ে থাকে। এ ছাড়া, চাষিদের পেঁপে জমি থেকে বায়েরে নিয়ে বিক্রি করতে হয় না। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা এসে জমি থেকেই পেঁপে কিনে নিয়ে যান। ঢাকাসহ দেশের সব জেলার সঙ্গে মধুপুরে যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হওয়ায় এই এলাকার পেঁপের চাহিদা রয়েছে। মধুপুর উৎপাদিত পেঁপে চাহিদা মিটিয়ে রাতধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ হয়ে থাকে। এ এলাকায় সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হচ্ছে টপলেডি জাতের পেঁপে।

মধুপুরের মিজাবাড়ী, ভাইঘাট, ইদিলপুর, টেলকি, বেরিবাই, গারো বাজার, দোখলা, আলোকদিয়া, লাউফলা, অরণখোলাসহ বিভিন্ন এলাকার চাঁধিরা দেশীয় জাতের পাশাপাশি উপলোড, গ্রিনলোড, থাইসহ নানা জাতের পেঁপে চাষ করেছেন। এখানকার প্রতিটি গাছ থেকে মেলে ৫০-৬০ কেজি পেঁপে। প্রতিটা গাছে খরচ হয়েছে ৩০০ ৪০০০ টাকা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রকিব আল রানা জানান, মধুপুরে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রচুর পরিমাণে পেঁপে চাষ হয়েছে। চারা রোপণ থেকে শুরু করে উৎপাদন পর্যন্ত কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। মধুপুরের তিন ধরনের পেঁপে উৎপাদন হয় উপ লৌড, রেড লেডি, সুইট লেডি, মধুপুরের টপ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং কর্মচারাগণ প্রতিনিয়ত মাঠে গিয়ে ভিজিট করছে । যাতে করে আরো বেশি পেঁপের ফলন বৃদ্ধি করা যায়। কৃষকরা এই ফসলটি আবাদে উৎসাহিত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category