| ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |২১শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি December 12, 2025, 8:45 pm
Title :
সরকারি চাষের অনুমতিপ্রাপ্ত জমি দখলদারদের হাত থেকে ফিরে পেতে ২০ জন কৃষকের সংবাদ সম্মেলন বাকেরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস উদযাপন! রাজশাহীতে হেরোইন আত্মসাতে বাহককে হত্যা : স্বীকারোক্তি, ময়নাতদন্ত, প্রমাণ—তবু চার্জশিট নেই বাকেরগঞ্জে ট্রাক চাপায় যুবকের মৃত্যু, স্ত্রী গুরুতর আহত “বাকেরগঞ্জ দর্পণ” অনলাইন নিউজ পোর্টালের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু বাকেরগঞ্জ উপজেলার প্রথম অনলাইন নিউজ পোর্টাল “বাকেরগঞ্জ দর্পণ” আজ শুভ উদ্বোধন বাকেরগঞ্জে বহিষ্কৃত কৃষকদল সভাপতির বিরুদ্ধে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের বাকেরগঞ্জে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মোনাজাত বাকেরগঞ্জে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচি বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অঅভিযোগে বাকেরগঞ্জে দুই যুবদল নেতা বহিষ্কার

ফুলবাড়িয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, জুলাই ২৯, ২০২৫
  • 141 Time View

স্টাফ রিপোর্টার : ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি ও সরকারী বরাদ্দের লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কৃষকের অভিযোগে জানা যায় গেল আমন মৌসুমে আকস্মিক বন্যায় ‘ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের জন্য পুনর্বাসন বরাদ্দ দেয় সরকার। খবর পেয়ে কৃষক হাসিম উদ্দিন নিজের ১ একর জমিতে সবজি চাষের জন্য প্রণোদনার বীজ চেয়ে আবেদন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বরাবরে। কৃষি কর্মকর্তা সাফ জানিয়ে দেন বীজ বিতরণ শেষ। গোডাউনে প্রচুর বাীজ থাকা সত্বেও তিনি বেশ কয়েকজন কৃষককে নাই কথাটি বলেন। খোঁজ খবর নিয়ে হাসিম উদ্দিন আরো জানতে পারেন যে, সরকার ফুলবাড়িয়া উপজেলার কৃষকের জন্য মাথাপিছু ৬শ টাকার করে বরাদ্দ দেন সরকারি বিএডিসি গুদাম থেকে বীজ কিনতে।

কিন্তু কৃষি কর্মকর্তা বিএডিসি গুদাম থেকে মানসম্পন্ন বীজ না নিয়ে নিজ পছন্দের কোম্পানির নিম্ন মানের বীজ ক্রয় করেন কম মুলো ( মাথাপিছু ৩২০ টাকায়)।

কৃষি কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ ফুলবাড়িয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পদে যোগদান করার পর বিভিন্ন প্রকল্পের প্রদর্শনীর টাকা, রাজস্ব, নাসারী থেকে বিভিন্ন প্রজাতির চারা ক্রয়, পুর্ণবাসন ইত্যাদির টাকা মিলে প্রায় লাখ, লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি অফিসের জন্য সিসি ক্যামেরা সহ বিভিন্ন পণ্য কিনতে কয়েক মাস আগে টাকা উত্তোলন করেন । আরো জানা যায়, সোনালী ব্যাংক ফুলবাড়িয়া শাখায় উপজেলা কৃষি অফিসারের নামের একাউন্ট এর বেশ কয়েকটি চেকে একটি এগ্রোঃ লিঃ কে লাখ, লাখ টাকা প্রদান-করেন। যার মধ্যে ওই কোম্পানিটি পুরো টাকা বুঝে পায় না। বাকী টাকা নাকি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ এর নিজ ব্যক্তিগত একাউন্টে জমা দেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ উপজেলার সার ব্যবসায়ীগনের সঙ্গেও অতাত করে বিএডিসি হতে সরকারী মূল্য ১০৫০ টাকার চেয়ে অধিক মূল্যে অর্থাৎ ১৩০০ টাকায় ও আমদানীকৃত ডিএপি সার ১৫০০/- টাকায় বিক্রি করেন। এই ভাবে সাধারণ কৃষক বৃষকদের কাছ থেকে লাখ, লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

কৃষকদের ঠকিয়ে ও অধিকার বঞ্চিত করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ বৃহৎ অংকের অর্থ আত্মসাতের বিষযে কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্হা নিচ্ছেন না। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার মতামত জানতে মেসেজ পাঠালে মতামত দেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category