| ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২রা সফর, ১৪৪৮ হিজরি July 16, 2026, 9:31 am
Title :
নান্দাইল খাদ্য গুদামে বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের সভাপতি জননেতা আয়মান হোসেন অপু নেতাকর্মীদের সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক : বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ লক্ষ্মীপুরে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ২ প্রতিষ্ঠানে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিকতার বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা স্মারক” রথযাত্রা উদ্‌যাপনের লক্ষে ডিএমপির পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে : ডিএমপি কমিশনার সুস্থ, শিক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা দেশের সমৃদ্ধি বয়ে আনে : বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ ময়মনসিংহ সেটেলমেন্ট অফিসে কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্বে দুর্নীতির অভিযোগ ডেপুটি স্পীকারের উদ্দ্যেগে : এগিয়ে যাচ্ছে দুর্গাপুরের সংস্কৃতি স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ দমনে আমাদের আরও চেষ্টা বাড়াতে হবে : ডিসি ময়মনসিংহ

শিক্ষার্থীশূন্য বিদ্যালয়: ৫ শিক্ষিকার বিপরীতে ছাত্র মাত্র ৪ জন, চরম সংকটে দক্ষিণ ভরপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক খান মেহেদী
  • Update Time : সোমবার, এপ্রিল ২০, ২০২৬
  • 61 Time View

মোঃ মিনহাজুল ইসলাম সুজন বাকেরগঞ্জ (বরিশাল)

বকেরগঞ্জের ১৭১ নং দক্ষিণ ভরপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম এখন অস্তিত্ব সংকটের মুখে। নামেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্তু বাস্তবে সেখানে শিক্ষার্থীর দেখা মেলাই ভার। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ৫ জন শিক্ষিকা কর্মরত থাকলেও মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪ জনে।

বিদ্যালয়টির বর্তমান চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পঞ্চম শ্রেণিতে মাত্র ১ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ১ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১ জন এবং প্রথম শ্রেণিতে ১ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। আশ্চর্যজনকভাবে তৃতীয় শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থীর অস্তিত্বই নেই। অর্থাৎ পুরো স্কুলে বর্তমানে পাঠদান করার মতো শিক্ষার্থী আছে মাত্র ৪ জন।
বিদ্যালয়টিতে নেই কোনো যথাযথ ভবন। জরাজীর্ণ পরিবেশে ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষিকারা স্কুলে এলেও উপযুক্ত পরিকাঠামো না থাকায় পাঠদান কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, উপযুক্ত ভবন ও পরিবেশ না থাকায় অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই বিদ্যালয়ে পাঠাতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।
কাগজে-কলমে বিদ্যালয়টিতে ৫ জন শিক্ষিকা নিযুক্ত থাকলেও সরেজমিনে দেখা গেছে মাত্র ২ জন শিক্ষিকা উপস্থিত রয়েছেন। শিক্ষার্থী সংকটের কারণে শিক্ষিকাদের মধ্যেও এক ধরণের দীর্ঘমেয়াদী হতাশা বিরাজ করছে। পাঠদানের পরিবেশ না থাকায় তারা এক প্রকার অলস সময় পার করছেন।

এদিকে কোমল মতি বাচ্চাদের নাম ব্যাবহার করে শতাদিক টিফিন লোপাটের প্রমান পাওয়া যায় প্রধান শিক্ষিকা ইসরাত জাহান ডলির বিরুদ্ধে, রবিবার স্কুল চলাকালীন সাংবাদিকদের সাথে একই স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা ফাতিমা বেগম এবং সুমি আক্তার বলেন প্রধান শিক্ষিকা ইসরাত জাহান প্রতিনিয়ত, ডিম,কলা,রুটির নিজের বাসায় নিয়ে যায় এ বিষয় সহকারী শিক্ষিকা নাজমুন্নাহার প্রতিবাদ করলে তাকেও নেনস্তা হতে হয় প্রধান শিক্ষিকা ইসরাত জাহান ডলির হাতে,

উপস্থিত শিক্ষিকা ফাতিমা বেগম এবং সুমি আক্তার ছারা বাকি তিনজন শিক্ষিকার বিষয় প্রধান শিক্ষিকা ইসরাত জাহান ডলির কাছে তার মুঠোফোনে একাদিক বার অনুপস্থিতের কারন জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন,

একটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন করুণ দশা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কেন একটি সরকারি স্কুলে মাত্র ৪ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে এবং কেন বছরের পর বছর ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নাগরিকরা। সরকারি সম্পদের অপচয় রোধে এবং শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমীন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে আস্বস্ত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category