| ১৫ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |১০ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি March 29, 2026, 2:16 am
Title :
জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন প্রথমবারের মতো ইয়াংছা-কুমারী সড়কে ডাকাতির ঘটনা ছাড়া ঈদ টাওয়ার হ্যামলেটসে কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন: প্রবাসে উত্থান,দেশে প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু মিজান খান বড়িয়া-নন্দপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল ফিতরে’র জামাত অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদের এখনো আগের কমিটি চলমান “রাজপথের সংগ্রামী তরুণ নেতৃত্ব সাদ্দাম হোসেন খান আপুর পক্ষ থেকে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা” পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লায়ন নুরুল ইসলাম খান (মাসুদ) স্বপ্নছোঁয়া যুব সংগঠন-এর উদ্যোগে ৫ম বারের মতো ১৫০টি পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার! কলমের শক্তিতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার, মানবসেবায় নিবেদিত এক জীবন — ঈদুল ফিতরে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত! রঙ্গশ্রী ইউনিয়নবাসীকে মিজান মোল্লার ঈদের শুভেচ্ছা

বাকেরগঞ্জে ডিএমএফ কর্মকর্তা সবুজের অবৈধ আয়ের ভাগ নেন পঃপঃ কর্মকর্তা প্রদীপ দাস

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ডিসেম্বর ১৮, ২০২৪
  • 297 Time View

বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি- অভিযোগের শেষ নেই বাকেরগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রদীপ দাসের বিরুদ্ধে। দুর্নীতির মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের আগে শ্রান্তি বিনোদন ভাতা গ্রহণ, অফিসের বিভিন্ন ভুয়া বিল ভাউচার করে অর্থ আত্মসাৎ, ডিএমএম কর্মকর্তাদের অবৈধ ইনকামের কমিশন গ্রহণ ও মিডিয়া কর্মীদের সাতে বাজে আচরণসহ অসংখ্য অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।

জানা যায়, গত ২০২৪ সালের ১২ মে বাকেরগঞ্জ উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে যোগদান করেন প্রদীপ দাস। যোগদানের পর থেকেই অফিসে কর্মরত কর্মীদের ভাতা উত্তোলন ও বিল ভাউচারের নামে অর্থ আত্মসাৎ করে চলেছেন। ফরিদপুর ইউনিয়নের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত ডিএমএফ সবুজ অফিস চলাকালীন সময় রোগী দেখার নামে ফি গ্রহন, রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা তার নির্ধারিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করানোসহ অনিয়মের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন। সেই টাকা থেকেও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রদীপ দাস প্রতিমাসেও কমিশন নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রদীপ দাস তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ফরিদপুর ইউনিয়ন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ডিএমএফ সবুজের বিষয় বেশ কিছু অভিযোগ পেয়েছি। তিনি সরকারি অফিসে রোগী দেখার নামে জনপ্রতি ১০০ টাকা করে নিয়ে থাকেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category