
নজরুল ইসলাম আলীম:-বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে সুপরিচিত মুখ মোঃ শহিদুল ইসলাম খান। সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া এই নেতা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি, সমাজসেবা ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র উজিরপুর পৌর শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই শহিদুল ইসলাম খান রাজনৈতিক আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। দলীয় কর্মকাণ্ডে নিষ্ঠা, ত্যাগ ও নেতৃত্বের গুণাবলীর কারণে অল্প সময়েই তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেন। ধারাবাহিক সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব লাভ করেন।রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে অনুদান প্রদান, দুর্যোগকালীন ত্রাণ বিতরণসহ নানা মানবিক উদ্যোগে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, ব্যক্তিগত উদ্যোগে বহু পরিবারকে সহায়তা করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় ভূমিকা রাখায় তিনি একজন দানশীল ও মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।
দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বিগত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে শহিদুল ইসলাম খান একাধিকবার হয়রানি ও নির্যাতনের মুখোমুখি হন এবং কারাবরণও করেন। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি দলের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি; বরং নেতাকর্মীদের সংগঠিত রাখা ও মনোবল ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।এ কারণে তৃণমূল পর্যায়ে তার প্রতি নেতাকর্মীদের আস্থা ও ভালোবাসা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।উজিরপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম খান একজন সৎ, নির্ভীক ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে সুপরিচিত। সাধারণ মানুষের সমস্যা শুনে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত থাকা এবং দলমত নির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়ানো—এসব কারণে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, পৌরসভার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নাগরিক সেবা সহজীকরণ, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা জোরদার, আধুনিক ড্রেনেজ ও সড়ক উন্নয়নসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজে তিনি কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারবেন।আসন্ন উজিরপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে শহিদুল ইসলাম খান বলেন,“আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। পৌরবাসী যদি আমাকে দায়িত্ব দেন, তাহলে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জবাবদিহিমূলক পৌর প্রশাসন গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। উন্নয়ন ও মানবসেবাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।”তিনি তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী ও শিশু কল্যাণ, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পৌরসভার সেবাগুলো ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
শহিদুল ইসলাম খান উজিরপুর পৌরবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করে বলেন, জনগণের আস্থা ও সহযোগিতা পেলে তিনি একটি উন্নত, নিরাপদ ও মানবিক পৌরসভা গড়ে তুলতে কাজ করবেন। তার এই প্রত্যাশাকে ঘিরে ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।